বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় জনবান্ধব পুলিশিং ও মানবিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিব হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সততা, পেশাদারিত্ব, কর্মনিষ্ঠা এবং জনগণের প্রতি আন্তরিক আচরণ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আস্থা ও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থানায় আগত সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে শুনে আইনানুগ সহায়তা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন। ফলে অনেক ভুক্তভোগী দ্রুত প্রতিকার পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে থানার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সোনি মিয়া বলেন, “ওসি রাকিব হোসেন একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক কর্মকর্তা। তিনি কোনো ধরনের অহংকার বা ব্যক্তিস্বার্থে বিশ্বাসী নন। থানায় আসা মানুষের সমস্যার কথা গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং যথাযথ দিকনির্দেশনা দেন। তাঁর মতো একজন কর্মকর্তা আমাদের এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন, এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।”
আরেক বাসিন্দা মো. সোহেল রানা বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মাদক, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপস করেন না এবং সব সময় ন্যায় ও আইনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখেন।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গাবতলী উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ওসি রাকিব হোসেন নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অপরাধ প্রতিরোধ এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা ও সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন।
তাঁর নেতৃত্বে থানার পুলিশ সদস্যরাও জনগণের সঙ্গে আরও সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সেবামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। ফলে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জনসম্পৃক্ততাও বাড়ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, দক্ষতা, সততা, দূরদর্শিতা ও জনকল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ওসি রাকিব হোসেন ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি একই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের সঙ্গে পুলিশের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে তাঁর গৃহীত উদ্যোগগুলো গাবতলী উপজেলায় ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। মানবিক মূল্যবোধ, পেশাদার দক্ষতা ও জনসেবার প্রতি অঙ্গীকারের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একজন জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।