PriyoKhobor-PNG
শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

সংযোগ ও মিটার ছাড়াই বাড়িতে হাজির বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ১:২৯ অপরাহ্ণ
| 13
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিদ্যুৎ সংযোগ তো দূরের কথা, নতুন মিটারই এখনো স্থাপন করা হয়নি। অথচ গ্রাহকের নামে তৈরি হয়েছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় এমন ঘটনায় বিস্ময় তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তাঁর বাসায় আগে থেকেই দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার স্থাপনের জন্য তিনি আবেদন করেছিলেন। কিন্তু নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হওয়ার আগেই আগস্ট মাসের জন্য তাঁর নামে ৬৯২ টাকার বিল এসেছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, বাসাটিতে চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার বসানোর জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে নতুন মিটারটি এখনো স্থাপন করা হয়নি। এর মধ্যেই নিমাই চন্দ্র সরকারের নামে মোট পাঁচটি বিলের কাগজ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল হিসেবে ৬৯২ টাকা উল্লেখ রয়েছে।

সংযোগ চালু হওয়ার আগেই বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল তৈরি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, যেখানে মিটারই স্থাপন করা হয়নি এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগও তৈরি হয়নি, সেখানে কীভাবে বিলের হিসাব তৈরি হলো? ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে।’তবে মিটার বা বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও বিল তৈরির সুযোগ রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা ভুল হয়ে গেছে।’

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈমের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে।’তবে মিটার ও সংযোগ ছাড়াই কীভাবে ওই গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির তাৎক্ষণিক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল আসে, তা আমার জানা নেই। উনাদের যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।’

মিটার স্থাপনের আগেই বিল তৈরির এই ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং প্রক্রিয়া, সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি কীভাবে ঘটল এবং ভুল বিল তৈরির জন্য কারা দায়ী, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

আরও পড়ুনঃ  তালসার কাজী লুৎফর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST