PriyoKhobor-PNG
বৃহস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:১৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

তালায় সরকারী খড়েরডাঙ্গা খাল উন্মুক্তোর দাবী এলাকাবাসীর!

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
| 14
Link Copied!
‎কে এম শাহীনুর রহমান, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

‎সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদরের খড়েরডাঙ্গা বিলে সরকারী খালের মুখে বেড়ীবাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালীরা। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে শত শত বিঘা ফসলী জমি, কবরস্থানসহ মানুষের বসতবাড়ির উঠান পানিতে তলিয়ে থাকে। এই জনদূর্ভোগের প্রতিকার চেয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।‎অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, তালা সদর ইউনিয়নের খড়েরডাঙ্গা বিলে প্রায় ১ কিলোমিটার খালের মুখে বাঁধ দিয়ে পানি চলাচলের বন্ধ করে মাছ চাষ করছেন প্রভাবশালী মহল। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এলাকার শত শত বিঘা ফসলী জমি পানির নীচে তলিয়ে থাকে। আমন ধানের বীজতলা পানিতে ডুবে থাকার কারণে ধান চাষ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষকরা। এসময় কবরস্থান পানিতে ডুবে থাকে। কোনো মানুষ মারা গেলে অন্য উপজেলায় আত্মীয়ের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করতে হয়। এই গ্রামের সুমন শেখ, বহার সরদার, ইয়ারমাহমুদ সহ অনেক কে কেশবপুর উপজেলা সহ বিভিন্ন জায়গায় দাফন সম্পন্ন করতে হয়েছে। এ বছরও অল্প বৃষ্টিতে সমস্ত এলাকা তলিয়ে গেছে। এই মুহূর্তে যদি কোনো ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার দাফন করা সম্ভব হবে না। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী জনগণ খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।‎ইতিমধ্যে তালা সদর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খাল খননসহ উন্মুক্ত করার পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।‎বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক তদন্তের জন্য তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে অবহিত করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্তের জন্য উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তাকে দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তারেক ইমাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।‎খড়েরডাঙ্গা গ্রামের সুমন শেখ (৩০), ইদ্রিস আলীসহ অনেকেই বলেন, এই গ্রামের কামরুল গাজী ১৫ বছর ধরে সরকারী খাল ও কালভার্টের মুখ আটকিয়ে অবৈধ ভাবে ঘের করেছে। তার ঘেরের কোনো সরকারী অনুমোদন নেই। খালের মুখ আটকিয়ে রাখার কারণে বর্ষাকালে সমস্ত মাঠঘাট তকানো থাকে। আমরা আমন ধানের চাষ করতে পারিনে। খাল দিয়ে পানি না সরার কারণে আমাদের বসতঘরে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে এমনকি কবরস্থানেও পানি জমে থাকে। বর্ষাকালে কোনো মানুষ মারা গেলে অন্য গ্রামে এমনকি অন্য উপজেলায় দাফন করতে হয়। খালটি খনন করা হলে এই গ্রামের শতাধিক পরিবার জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। খালটি খনন করার জন্য সংসদসদস্যের সম্মতি আছে। এসময় খালটি খনন ও প্রভাবমুক্ত করতে সরকারের কাছে দাবী জানান তারা।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তারেক ইমাম বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অফিসে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করেছি। অধিকাংশ লোকজন ঘের করার পক্ষে। ইদ্রিস এই ঘেরটি করতে চায় তবে জমির মালিকেরা তাকে দিতে চায় না। ঘেরের কোনো লাইসেন্স আছে কি না এমন প্রশ্নের কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

‎ঘের মালিক কামরুল ইসলাম গাজী বলেন, ঘেরের মধ্যে সরকারী খাল ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করি। উপর থেকে পানি আমার ঘেরের মধ্যে পড়ে না। গ্রামের মধ্যে যে পানি বেঁধে আছে ঐ পানি খানপুর কালভার্ট দিয়ে সরে। অন্য ঘের মালিকরা কালভার্টের মুখ বেঁধে রাখার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য মৎস্য কর্মকর্তাকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় দখলমুক্তকরণ অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

আরও পড়ুন

আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST