PriyoKhobor-PNG
বৃহস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:৪৯
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

রাজধানীতে ছিনতাই আতঙ্কে জনজীবন: চার শতাধিক হটস্পট চিহ্নিত

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
| 23
Link Copied!

এস আর নিরবঃ

স্পট চিহ্নিত, মামলা-জিডিও রয়েছে; তবু রাজধানীতে থামছে না ছিনতাই। নিয়মিত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে—এমন অন্তত চার শতাধিক স্থান চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্য, মামলা ও জিডি পর্যালোচনা করেই নির্ধারণ করা হয়েছে এসব স্পট।

ছিনতাইয়ের হটস্পটের পাশাপাশি তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীদেরও চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। রাজধানীতে ডিএমপির তালিকাভুক্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ ছিনতাইকারী সক্রিয় রয়েছে। এর বাইরে ঢাকাজুড়ে আরও হাজারের বেশি ভাসমান ছিনতাইকারী রয়েছে, যারা ঢাকার বাইরে থেকে এসে কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে আবার চলে যায়।ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীর সংখ্যায় সবচেয়ে এগিয়ে ওয়ারী বিভাগ। সেখানে সক্রিয় রয়েছে ৩৪০ জন। এরপর তেজগাঁও ও উত্তরা বিভাগে ২৪০ জন করে এবং মতিঝিল বিভাগে ১৬৮ জন ছিনতাইকারী সক্রিয় রয়েছে।

পুলিশের চিহ্নিত করা ছিনতাইয়ের হটস্পটের তালিকায় মোহাম্মদপুর, পল্লবী, যাত্রাবাড়ী, দারুস সালাম, উত্তরা পূর্ব ও উত্তরা পশ্চিম, বিমানবন্দর, তেজগাঁও, কোতোয়ালি, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, শেরেবাংলানগর, আদাবর ও খিলক্ষেত অন্যতম।ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ও মামলার দিক থেকেও তেজগাঁও ও ওয়ারী বিভাগ এগিয়ে। একই সঙ্গে ছিনতাইয়ের হটস্পটের সংখ্যার দিক থেকেও এই দুই বিভাগ শীর্ষে রয়েছে।

ডিএমপির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে রাজধানীতে দস্যুতার ঘটনায় ১১৮টি মামলা হয়েছে। তবে বাস্তবে এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।তাদের মতে, ছিনতাইয়ের অনেক ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন না। আবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও মামলা এড়াতে অনেকেই শুধু হারানোর জিডি করেন। ফলে রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানে পুরোপুরি উঠে আসে না।

এ কারণে মামলা ও জিডির পরিসংখ্যানের বাইরে থেকে যাচ্ছে ছিনতাইয়ের অনেক ঘটনা। ফলে রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রকৃত চিত্র আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বিশেষ বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সর্বশেষ গত শনিবার (২৯ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরে কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিশেষ বৈঠক করে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশের সবকটি ইউনিট, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে যেসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে, সে অঞ্চলের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক বদলি এবং সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ সংক্রান্ত সতর্কবার্তা পুলিশের সকল ইউনিট, রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) কাছে পাঠানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে থানা পুলিশের ঢিলেঢালা টহল এবং রাতের বেলা দায়িত্বে গাফিলতির বিষয়টি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে। রাতের ডিউটিতে অনেকেই সঠিকভাবে দায়িত্ব না পালন করে টহলের গাড়িতে ঘুমিয়ে সময় পার করছেন বলে বৈঠকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে রাজধানীর প্রতিটি থানায় ২৪ ঘণ্টা টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত পুলিশকে মাঠপর্যায়ে বাধ্যতামূলকভাবে টহলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কোনো থানায় যদি জনবল বা যানবাহনের ঘাটতি থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তা পুলিশ সদর দপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে যেন দ্রুত সমাধান করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST