
কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ নং সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার রেহেনা পারভিন এডিবির বরাদ্দের কাজে চরম দুর্নীতি ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে আংটিহারা (মতি হুজুরের ক্লোজার সংলগ্ন) এলাকার এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের, ভাঙা ও অচল ইট ব্যবহার করা হচ্ছিল।চরম দুর্নীতির কাজ স্থানীয় দের সাথে নিয়ে বন্ধ করে দেন দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির ডাঃ ইসহাক খান। এসময় স্থানীয়রা বলেন রাস্তারা কাজ করছিলো স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার রেহেনা পারভিন আমরা ডাঃ ইসহাক খানের নেতৃত্ব এখানে কাজ বন্ধ করে দেয়।মেম্বারের প্রতারণা ও জালিয়াতি জনগণের বাধার মুখে পড়ে মেম্বার রেহেনা পারভিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে— নষ্ট ২০০০ ইট ঘড়িয়াল বাজারে ফেরত পাঠিয়ে ওখান থেকে ২০০০ ভালো ইট আনা হবে এবং তাঁর নিজের বাড়ি থেকে আরও ৪০০০ ভালো ইট দেওয়া হবে।
কাজের তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয় ইউপি স্টাফ মোশাররফ হোসেন, সাবেক আমীর মাওলানা মতিউর রহমান, মাওলানা ওমর আলী সাহেব এবং আব্দুল গনি সর্দারকে।কিন্তু মূল অভিযুক্ত মেম্বার রেহেনা পারভিন এই ৪ জন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ (অমান্য) করে নিজের একক খামখেয়ালিপনায় কাজ চালাচ্ছেন। ঘড়িয়াল বাজারে একটা ইটও ফেরত যায়নি, কোনো ভালো ইটও আসেনি। মেম্বারের বাড়ি থেকে মাত্র ২০০টির মতো ইট ভ্যানে করে এনে লোকদেখানো নাটক করে, তদারকি কমিটির চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই একই অচল ইট দিয়েই পুনরায় চুরির মাধ্যমে কাজ চালানো হচ্ছিলো।স্থানীয় দের দবি যারাঁ এই অনিয়মের কাজের সাথে জড়িত তাদের কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক। তবে অভিযুক্ত নারী ইউপি সদস্য রেহেনা পারভিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয় টা কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) আব্দুল আল বাকী র সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


