PriyoKhobor-PNG
মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:০১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় হোমিও ফার্মেসির আড়ালে স্পিরিট বিক্রি, গ্রেপ্তার ১

দৈনিক গণআওয়াজ
অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৭:৫০ অপরাহ্ণ
| 15
Link Copied!
‎এম.এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভার শহরতলি এলাকায় হোমিওপ্যাথি ফার্মেসির আড়ালে রেক্টিফাইড স্পিরিট (অ্যালকোহল) বিক্রির অভিযোগে মো. আলতাফ হোসেন (৬৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে ২৫টি কাচের বোতলে ৭৫০ মিলিলিটার রেক্টিফাইড স্পিরিট এবং স্পিরিট রাখার ৭৫টি খালি কাচের বোতল জব্দ করা হয়েছে।‎‎মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি বগুড়ার একটি দল দুপচাঁচিয়া পৌরসভার শহরতলি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আলতাফ হোসেনের ভাড়াকৃত ও তাঁর দখলে থাকা ‘আল মাহফিল’ নামের একটি হোমিওপ্যাথি ফার্মেসিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে দোকানের ভেতরে কাঠের তৈরি তিন ড্রয়ারবিশিষ্ট একটি টেবিলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ড্রয়ার থেকে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়।‎উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে একটি সিনথেটিক ব্যাগে ২৫টি লেবেলবিহীন কাচের বোতলে ৩০ মিলিলিটার করে মোট ৭৫০ মিলিলিটার রেক্টিফাইড স্পিরিট পাওয়া যায়। এ ছাড়া একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগে কর্কসহ ৭৫টি লেবেলবিহীন খালি কাচের বোতল পাওয়া যায়।‎গ্রেপ্তার আলতাফ হোসেনের বয়স ৬৪ বছর। তিনি বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া ইউনিয়নের নলঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা মৃত কছির উদ্দিন আহম্মেদ এবং মা মৃত আয়েশা।
‎
‎এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক শামীমা আক্তার বাদী হয়ে আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি রেক্টিফাইড স্পিরিট সংগ্রহের উৎস ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে স্পিরিট সংগ্রহ ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে তদন্ত চলছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
‎‎মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অবৈধ মাদক ও মাদকসংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ বেচাকেনা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
‎
আরও পড়ুনঃ  ঢাকার ৪০০ হটস্পটে সক্রিয় ১৪০০ তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST