সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। ২৪ পরবর্তী সময়ে সার্বিক উন্নয়নে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও বিভিন্ন পেশাজীবিদের সাথে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন, সবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কৃষি উপদেষ্টা ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার’ (পিপিআরসি)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।
তিনি বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য গবেষণার প্রয়োজন। শুধু পড়ে বাস্তব সমস্যা উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করতে হলে মাঠ পর্যায়ে গবেষণা করতে হবে। গবেষণায় শুধু সমস্যা চিহ্নিত করলে হবে না সমাধানের পথও খুঁজে বের করতে হবে। সুন্দরবনে জলদস্যুর উৎপাত আবারও শুরু হয়েছে। যে কারণে বনজীবি ও মৎস্যজীবিদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বনবিভাগ পুরাতন গাছ কেটে আবার গাছ লাগাচ্ছে, দরিদ্র মানুষের বাস্তহারা করছে। এসব বিষয় নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার গোনালী নলতা, হরিচন্দ্রকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং তালা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হলরুমে পৃথকভাবে এসব মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।
খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু’র সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ এম. হাশেমী, পিপিআরসি’র সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট নামিরা শামীম, জেন্ডার স্পেশালিস্ট মাহবুবা হক ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার জয়ন্ত কুমার পাল।
তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, গৌতম ঘোষ, আম চাষী, ব্যবসায়ী, বনজীবি, মৎস্যজীবি, সমাজকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।
এসময় তারা জেলে, ভূমিহীন কৃষক, আমচাষি ও মৎস্যচাষি স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, সমস্যা, এলাকার পানি সংকট, খাল-বিল,নদী-নালা দখল ও নাব্যতা হ্রাস, নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরা, জলদস্যুতা এবং জেলেদের জীবন-জীবিকার সমস্যা, বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন জীবন, নদী ও জলাশয়ের ওপর তাদের নির্ভরশীলতা এবং বিভিন্ন সমস্যা, ভূমিহীনদের জমি ও কৃষিজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।