
এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়া জেলার বিভিন্ন আদালতে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য সরকারি কৌশলী (জিপি), পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), অতিরিক্ত পিপি, সহকারী কৌশলী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি)সহ মোট ১৪৩ জন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে সরকার।আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের জিপি-পিপি শাখা থেকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ২৫ আগস্ট সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত পৃথক পত্রে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে।নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে বগুড়া বারের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম টুকুকে পুনরায় সরকারি কৌশলী (জিপি) এবং বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছেদকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) করা হয়েছে।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য আলী আজগার এবং ট্রাইব্যুনাল-২-এর পিপি হিসেবে বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হককে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া বিশেষ জজ আদালতের পিপি হিসেবে হারুন অর রশিদ, শিশু আদালত-১-এর পিপি হিসেবে সুফিয়া বেগম কোহিনুর, শিশু আদালত-২-এর পিপি হিসেবে সৈয়দ জহুরুল আলম এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি হিসেবে আব্দুল মান্নানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালে অতিরিক্ত জিপি হিসেবে এটিএম জিন্নুল হক এবং অতিরিক্ত পিপি হিসেবে সানাউল্লাহ সায়েম সুমন দায়িত্ব পেয়েছেন। পারিবারিক আপিল আদালতে অতিরিক্ত জিপি হিসেবে আতিকুল মাহবুব সালাম এবং অতিরিক্ত পিপি হিসেবে এবিএম সাইফুল ইসলাম শিমুলকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।জেলা জজ আদালতে অতিরিক্ত জিপি হিসেবে মাহাবুব আলম বাবলা, নুরুল ইসলাম, জাফরুল হাসান জুয়েল, আব্দুল ওয়াহেদ, খায়রুজ্জামান জামান, মাহফুজার রহমান মাসুদ, আলমগীর হোসেন আলম ও আব্দুল জলিল (৪) নিয়োগ পেয়েছেন।অন্যদিকে দায়রা জজ আদালতে অতিরিক্ত পিপি হিসেবে লুৎফর রহমান প্রাং (১), এ জে এম শামছুদ্দীন স্বপন, মোস্তফা রেজাউল করিম রেজা, এফইএম আসাদুজ্জামান মাখন, টিএম তারিকুল ইসলাম সাচ্চু, নুর-এ-আজম বাবু, রেজানুল ইসলাম রেজা, নাজমুল হুদা পাপন, শাহজাদী লায়লা আরজুমান বানু, মাসফিকুর রহমান তালুকদার (রুবেল), আরাফাত খাতুনে জান্নাত নীলা, হাবিবুজ্জামান-১, এসএম মাসুদার রহমান স্বপন, একেএম হুমায়ুন কবির, মোসলিম উদ্দিন লিটন, আজাদ হোসেন তালুকদার, ইখতিয়ার উদ্দিন, এনামুল বারী খন্দকার (মঞ্জু), রাব্বি রাশেদ রেজভী (মিঠু), আব্দুল মতিন মন্ডল, শফিকুল ইসলাম শফিক, শহিদুল হাসান পলাশ, আবু হায়াত মো. মোস্তফা কামাল (পরাগ), আফাজ উদ্দিন লাল ও শাফি আহম্মেদ মিঠু নিয়োগ পেয়েছেন।জেলা জজ আদালতের সহকারী কৌশলী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আবু বক্কর সিদ্দিক-১, রাফিয়া আক্তার জানি, মামুনুর রশিদ দুলাল, ফারুক নুর হাসান, আব্দুল ওয়াহেদ আকন্দ (হেলাল), জহুরুল ইসলাম খন্দকার, আশরাফুল ইসলাম সুজা, এমদাদুল হক খন্দকার, ফারুক আহমেদ, নুর-ই-আজম, শহিদুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন, এনামুল হক, জিল্লুর রহমান দোলন, শওগাত হোসেন খান শাহিন, জাকিউল আলম সোহেল, আসতান রহমান খান, শারথী শবনম মিথুন, রুহুল আমীন রহুল ও জাকারিয়া সুলতান (সুজন)।দায়রা জজ আদালতের এপিপি পদে নিয়োগ পেয়েছেন তৈয়বর রহমান মন্ডল, শারদুল হক, রফিকুল ইসলাম রফিক, জাহিদুল হাসান মুন্নু, ফরিদ উদ্দিন (২), এটিএম শামসুজ্জামান হিরু, হারুন-অর রশিদ, গোলাম মোস্তাফা জিয়ন, রুহুল কুদ্দুস রহুল, কামাল উদ্দিন, আকতার জাহান লাইজু, জাহাঙ্গীর আলম (কর্ণেল), আরমান হোসেন, রাজিবুল ইসলাম রাজিব, একেএম আব্দুল হাকিম, সাজেদা বেগম, রহিমা খাতুন মেরী, আমিনুল ইসলাম শাহীন, মোস্তাফিজার রহমান বকুল, শরিফুল ইসলাম (হীরা), কামরুল হাসান খান (কুন্তাল), জহুরুল ইসলাম জিয়া, আতোয়ার হোসেন প্রাং (আপন), মিজানুর রহমান, জেসমিন আরা বেগম (সীমা), এনামুল হক বাবু, গোলাম মোস্তফা (মজনু), বশির আহম্মেদ, জামাল পাশা (রানা), উজ্জল হোসেন, আ ন ম বজলুর রশীদ (শাহিদ), নাজমুল হোসেন, আবু সাঈদ (বিলাশ), একেএম মাহমুদুল হাসান রানা, সোলায়মান আলী, সাকিউল হাসান রুবেল, এসএম নুরুজ্জামান মেহবুব, হেলাল উদ্দীন প্রামানিক, জামাল উদ্দিন, নজরুল ইসলাম কামাল, হযরত বেলাল এসডু, আব্দুল খালেক আকন্দ, আতাউর রহমান (২), এস আব্দল্লা-হিল-বাকী (নিপন), মেহেদী হাসান, ফয়জুর রহমান চৌধুরী, আইরিন খানম হীরা, আব্দুল জলিল আকন্দ, দিল রওশন আরা ফেন্সী, তৌহিদা হোসেন তানি, মেহেদী মাহমুদ লিমন, মাহফুজার রহমান (মুকুল), রুহুল আমিন খান, ফেরদৌসী বেগম, গোলম মর্তুজা, সালমা সুলতানা, মাহবুবা বেগম ও শিউলী বেগম।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর এপিপি হিসেবে কারিমুল ইসলাম (বকুল), এনামুল হক পান্না ও খন্দকার মনিউল ইসলাম (মুন) এবং ট্রাইব্যুনাল-২-এর এপিপি হিসেবে আব্দুর রাজ্জাক (মনি), মঞ্জুর হাসান মন্ডল ও খা. জা. সাইদা মার্জিয়া (নাজু) নিয়োগ পেয়েছেন।এ ছাড়া শিশু আদালত-১-এর এপিপি হিসেবে আব্দুল মান্নান মন্ডল এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে জহুরুল হক জাফর, আব্দুর রহমান, আব্দুল হান্নান (মাসুদ), মঞ্জুর-এ-আলম (মুন্নু) ও সাজিদ ওয়াসিফ (বাঁধন)সহ আরও কয়েকজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন নিয়োগের ফলে বগুড়ার বিভিন্ন আদালতে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে। একই সঙ্গে বিচারাধীন মামলাগুলোতে সরকারি পক্ষের আইনগত প্রতিনিধিত্ব জোরদার হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।