লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ৭ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের রাজনীতিতে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির স্থানীয় নেতা মোহাম্মদ বাবুল। ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুখে এখন একটি নাম—‘বাবুল ভাই’। বিশেষ করে বিএনপির দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং অসহায় মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার কারণে তিনি এলাকায় ‘গরিবের বন্ধু’ ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।আসন্ন হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন মোহাম্মদ বাবুল। রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও দুঃসময়ের মধ্যেও দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁর সমর্থকদের।মোহাম্মদ বাবুল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে তিনি ৭ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি কমলনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কমলনগর উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক জীবনে বাবুল ভাই শুধু দলীয় কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখেও নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে দলের কঠিন সময়ে কর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীর কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন।তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা, নেতৃত্বের সুযোগ পেলে হাজিরহাট ইউনিয়নের উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ বাবুলের অনুসারীদের মধ্যে এখন একটি প্রত্যাশাই জোরালো—দলের দুঃসময়ের এই কর্মীবান্ধব নেতাই যেন আগামী দিনে হাজিরহাট ইউনিয়নের মানুষের সেবায় নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পান।
তবে শেষ পর্যন্ত ইউনিয়নবাসী কাকে নেতৃত্বের জন্য বেছে নেবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, হাজিরহাট ইউনিয়নের রাজনীতিতে মোহাম্মদ বাবুলের অবস্থান ও জনপ্রিয়তার বিষয়টিও তত বেশি আলোচনায় আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।