PriyoKhobor-PNG
মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:১৭
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

ত্রাণ বিতরণে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন দ্রুতই শুরু হচ্ছে

দৈনিক গণআওয়াজ
জুলাই ১৭, ২০২৬ ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
| 11
Link Copied!

নীলকমল সুশীল (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :-

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরী ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে ব্যস্ত দিন পার করেছেন।

মন্ত্রী সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকার মাইজপাড়া মাহমুদুন নবী চৌধুরী স্কুলের সামনে, হাদী পাড়া এবং খেজুরতলায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের বন্যায় কয়েক লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরই মধ্যে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বাকীদেরও ত্রাণের আওতায় আনা হচ্ছে। ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজও শুরু হয়েছে।

পতেঙ্গায় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে চাল, রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন।

দুপুরে অর্থমন্ত্রী সাতকানিয়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন। পরবর্তীতে লোহাগাড়ার অধুনা নগর ইউনিয়নে ডলু খালের ভাঙ্গন পরিবদর্শন ও ত্রান বিতরণ করেন। এরপর তিনি সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের বোর্ড অফিসের সম্মুখে ত্রাণ বিতরণ করেন।

বিকেল অর্থমন্ত্রী বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরণের পুর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় এসব অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্যার্তদের ভয় বা নিজেদের অসহায় ভাবার কিছু নেই। সরকার তাদের পাশে আছে। আমরা শুধু ত্রাণ দিয়ে আমাদের কাজ শেষ করবো না বরং ক্ষয় ক্ষতি নিরুপণ করে সেক্টর ভিত্তিক পুনর্বাসন কাযক্রম পরিচালনা করবো। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়িও মেরামতে সহায়তা, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষী, প্রান্তিক চাষী, সাধারণ দিন মজুর, খেটে খাওয়া মানুষ-সরকার সকলকে প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দিয়ে যাবে। তিনি বলেন, রাস্তা ঘাট, কৃষি খাত, মৎস্য উপখাতসহ সকল খাতের ক্ষয় ক্ষতি নিরুপন শেষ হলে দ্রুতই মেরামত কাজ শুরু হবে। বন্যার কারন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোথাও রেললাইন, কোথাও অপরিকল্পিত স্থাপনা কিংবা পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা কারন হতে পারে। সব বিষয় পরযালোচনা করে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় সাত লাখ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার পরিবারকে চাল, ৭৫ হাজার পরিবারকে চাল ডালসহ শুকনো খাবার এবং ৪০ হাজার পরিবারকে রান্না করা খাবার দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ত্রাণের পাশাপাশি পুনর্বাসন কাজ একসঙ্গে চলবে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির ক্ষেত্রে টিন সরবরাহ করা হবে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বীজ সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেয়া হবে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন আয়োজিত ভিন্ন ভিন্ন এসব অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, শাহজাহান চৌধুরী এমপি, মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ এমপি, আবু সুফিয়ান এমপি, এনামুল হক এনাম এমপি, জসীম উদ্দিন আহম্মেদ এমপি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্বর, বর্তমান সাধারন সম্পাক নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিনসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ মন্ত্রীর সাথে ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  বেলাবতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৫ মাদকসেবীকে মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST