PriyoKhobor-PNG
রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:৪৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বাজেটে বরাদ্দ চায় বাংলাদেশ কংগ্রেস  

দৈনিক গণআওয়াজ
জুন ৬, ২০২৬ ১০:০৭ অপরাহ্ণ
| 122
Link Copied!

এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব, নিজস্ব প্রতিবেদক।

দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য জাতীয় বাজেটে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। দলটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেছেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শর্তসাপেক্ষে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক গণতান্ত্রিক দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে দলগুলো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীনির্ভর অর্থায়নের পরিবর্তে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ পায় এবং গণতান্ত্রিক চর্চা আরও বিকশিত হয়।

অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম বলেন, “গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় সরকারের কর্মকাণ্ডের গঠনমূলক সমালোচনা, বিকল্প নীতি প্রণয়ন এবং জনগণের দাবি-দাওয়া তুলে ধরার জন্য কার্যকর রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে অনেক নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান নয়; বরং দুর্যোগকালীন সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। রাষ্ট্রীয় সহায়তা পেলে এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব উল্লেখ করেন, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিবছর আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয় এবং তাদের আর্থিক কর্মকাণ্ড নিরীক্ষার আওতায় থাকে। ফলে কঠোর শর্ত, নিরীক্ষা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বাজেটে বরাদ্দ প্রদান করা হলে জনগণের অর্থের অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকবে না।

তিনি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “নিবন্ধন প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে আরও দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। এমন অভিযোগ রয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে নিবন্ধনের সব শর্ত পূরণ না করেও কিছু দল নিবন্ধন পেয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করে।”

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশ প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিবন্ধন ব্যবস্থা। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সীমিত ও শর্তসাপেক্ষ রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য রাষ্ট্রীয় সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় যুবশক্তি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হলেন মুফতি ইদ্রিস হোসাইন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST