যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আব্দুস সামাদ বিশ্বাস (বড় সাহেব)-এর সহধর্মিণী এবং থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলার মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) একেএম শফিউল আজম রুমীর মমতাময়ী মা সাহেরা বেগম (৯০) ইন্তেকাল করেছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মরহুমা সাহেরা বেগমের মৃত্যুতে ঝিকরগাছার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের সহধর্মিণী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পারিবারিকভাবে অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি সন্তান-সন্ততিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলার মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) একেএম শফিউল আজম রুমীর মাতা ও নিশানা লেডিস ক্লাবের সভাপতি ও সামাদ মেমোরিয়াল চাইল্ড লার্নিং হোমস স্কুলের অধ্যক্ষ মাসুমা মিমের শাশুড়ি এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান সামাদ নিপুণের দাদী। তাহার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেন। তারা মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহর বাদ ঝিকরগাছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমা সাহেরা বেগমের জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।মরহুমা সাহেরা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা সুলতানা। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের এ শোক সহ্য করার শক্তি দান করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা জানিয়েছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে জেলা, উপজেলা পৌর ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সহ এলাকার সাধারণ মানুষেরা বলেন, একজন প্রবীণ রাজনৈতিক পরিবারের অভিভাবক হিসেবে তার মৃত্যু পরিবার ও স্বজনদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তারা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।ঝিকরগাছায় রোগীর কথা শুনে চিকিৎসা পরামর্শ, আস্থা অর্জনে আন্তরিকতার ছোঁয়া, রোগীর পাশে হাকিম আলমআফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা : চিকিৎসাসেবা শুধু ওষুধ ও ব্যবস্থাপত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, একজন রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তার শারীরিক সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শের মাধ্যমে পাশে দাঁড়ানোও মানবিক চিকিৎসাসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর সেই মানবিকতার জায়গাটিকেই গুরুত্ব দিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন হাকিম মোঃ আলমগীর হোসেন আলম। আন্তরিক ব্যবহার, রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জনে কাজ করছেন তিনি। যশোরের ঝিকরগাছা পৌর সদরের মিতালী সিনেমা হল রোডের মেসার্স জনসেবা ফার্মেসী’র মাধ্যমে এ্যালোপ্যাথিক ও ভেষজ ওষুধের পাশাপাশি রোগী দেখার ব্যবস্থা রয়েছে হাকিম মোঃ আলমগীর হোসেন আলমের। তিনি শিশু, বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সী রোগীদের নতুন-পুরাতন নানা স্বাস্থ্যসমস্যায় চিকিৎসা পরামর্শ দেন। রোগী দেখার ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষত্ব হিসেবে উঠে আসে রোগীর কথা ধৈর্য ধরে শোনা ও সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করা। চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক ও আন্তরিক পরিবেশে কথা বলার কারণে অনেক রোগী স্বস্তি অনুভব করেন বলে জানান। চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর জীবনযাপন, প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং কখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন এসব বিষয়েও পরামর্শ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। হাকিমের ডিগ্রী অর্জনের মধ্যে রয়েছে পি.টি.এফ রেজিস্ট্রেশন নং ৩৪০৩ এবং ডি.এম.এ রেজিস্ট্রেশন নং ১০৫৫। রোগীদের সুবিধার্থে তিনি রোগী দেখেন প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বেলা ১২টা এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এছাড়াও তার প্রতিষ্ঠান বুধবার সারাদিন ও শুক্রবার বিকালে বন্ধ থাকে।চিকিৎসাসেবা নিতে আসা আঃ রহিম নামের এক রোগী বলেন, হাকিম সাহেবের কাছে গেলে প্রথমে তিনি সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাড়াহুড়ো না করে রোগীর সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি ভালো লাগে। প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সমস্যাটি নিয়ে কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে, সেটিও বুঝিয়ে বলেন। ফাতেমা নামে আর এক রোগী বলেন, অনেক সময় শারীরিক সমস্যার কথা বলতে সংকোচ লাগে। কিন্তু এখানে আন্তরিকভাবে কথা বলার সুযোগ পাওয়া যায়। হাকিম সাহেব ধৈর্য ধরে সমস্যার কথা শুনে পরামর্শ দেন। তাঁর ব্যবহারে রোগীর প্রতি আন্তরিকতার বিষয়টি বোঝা যায়।নিজের চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে হাকিম মোঃ আলমগীর হোসেন আলম বলেন, মানুষের সেবা করাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। একজন রোগী যখন আমার কাছে আসেন, তখন তিনি শুধু ওষুধের জন্য আসেন না। তিনি তাঁর কষ্টের কথা বলার জন্যও একজন আন্তরিক মানুষ খোঁজেন। তাই রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাঁর সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করি। রোগীর আস্থা ও সন্তুষ্টি আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা সবচেয়ে জরুরি। কোনো রোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব রয়েছে। জটিল বা গুরুতর সমস্যার ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য রোগীদের উৎসাহিত করি। আমার প্রত্যাশা, মানুষের পাশে থেকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যেতে পারি।
উল্লেখ্য স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনকে সামনে রেখে মেসার্স জনসেবা ফার্মেসী-এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। রোগীর সঙ্গে মানবিক আচরণ, মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবাকে আরও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন হাকিম মোঃ আলমগীর হোসেন আলম।