বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন, পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না করা এবং কালিযুক্ত কাগজে কেক তৈরির অভিযোগে দুটি বেকারিকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার সান্তাহার পৌর এলাকার প্রবাসীপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সবুজ বেকারিকে ১৫ হাজার টাকা এবং নিউ আজাদ বেকারিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানে সবুজ বেকারিতে বেকারি পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যথাযথভাবে উল্লেখ না করা, কালিযুক্ত পেপার ব্যবহার করে কেক তৈরি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অন্যদিকে, নিউ আজাদ বেকারিতে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান চলাকালে কালিযুক্ত পেপারে তৈরি করা ১০ ট্রে কেক জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে বেকারি মালিকদের খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে উৎপাদন করা এবং প্যাকেটজাত পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ সঠিকভাবে উল্লেখ করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে আদমদীঘি উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, খাদ্যপণ্যে অনিয়ম ও ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেকারি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদ্যমান আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।