দেশের প্রতিটি উপজেলায় বয়স্কদের পুনর্বাসনের জন্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জিয়া হায়দার।রোববার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বি কে বাড়ি এলাকায় বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি বয়স্ক ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. জিয়া হায়দার বলেন, বয়স্কদের শুধু থাকার ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য নয়। তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বয়স্কদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও সরকার চিন্তা করছে।এবং দেশের প্রতিটি উপজেলায় বয়স্কদের জন্য এ ধরনের পুনর্বাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কমপ্লেক্সে বয়স্করা নিরাপদে বসবাসের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, বিনোদন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করীম ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের একটি পরিকল্পনা দিয়েছেন—কীভাবে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সিনিয়র সিটিজেনদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়। বয়স্কদের মধ্যে অনেকেরই দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।এছাড়াও বয়স্ক ও পুনর্বাসন কেন্দ্রটি পরিদর্শন শেষে কেন্দ্রের ভেতরের যাতায়াতের রাস্তাগুলো জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সংস্কার করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বয়স্কদের জন্য স্থায়ী ও মানবিক পুনর্বাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠলে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত প্রবীণদের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাহরিয়ার নজির, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন, গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) লিপি রানী সিনহা এবং জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বয়স্ক ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খাতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল, জেলা বিএনপির আহবায়ক সদস্য জয়নাল আবেদিন রিজভী, গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের মুসল্লী, সদস্যসচিব আবু বকর সিদ্দিক, আহ্বায়ক সদস্য ফজলুল হক মুসল্লীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।