খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের পাথর খালি গ্রামে কয়রা উপজেলা দক্ষিণ শাখা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হসপিটালে প্রেরন করেন। অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় খুলনা থেকে, তাকে ঢাকায় প্রেরন করে বর্তমানে তিনি ঢাকায় চিকিৎসা রত অবস্থায় আছেন। মামুনের প্রতিবেশী ইয়াকুব গাজী বলেন জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মূলত হামলার শিকার হন। যখন মারামারি হচ্ছিল আমি পাশের জমিতে ধান লাগাচ্ছিলাম হঠাৎ চিৎকারের শব্দ শুনে দৌড়ে এসে দেখি মামুনের বুকের উপর দুপা দিয়ে ধরে রেখেছে মেহেদীর আব্বা জাহাঙ্গীর মোল্লা (৫৫) মাথার চুল ও হাত ধরে রাখ ছলো মেহেদীর মা তাছলিমা (৪৫) মেহেদী সরাসরি লাঠি দিয়ে মাথায়, ঘাড়ে আঘাত করে সাথে, সাথে জায়গায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আব্দুল বারিক সানা বলেন মামুন গতকাল আমার কাছে এসে বল্ল কাকা আমাদের জমি নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে একটু মিটাই দিতে আমি তোমাদের যাদের সাথে জমি নিয়ে ঝামেলা তাঁরা ত লোক ভালোনা আমি যেতে পারবোনা। কমলা বেগম বলেন জাহাঙ্গীর মোল্লা আমার প্রতিবেশী সে সবসময় আমাকে অকথ্য গালিগালাজ করে মাঝে মধ্যে আমারে মারতে আসে, জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে মেহেদী সে সব সময় গাঁজা, মদ, খায় কয়েক মাস তার নিজের পিতার গলায় দা ধরে মোবাইল কেনার টাকা আদায় করে। আহত মামুনের পিতা আমি অন্যের জমি থেকে ধান রোপণ করে শুক্রবার বলে আমি জুমার নামাজ পড়ার জন্য বাড়িতে আসি এমতাবস্থায় আমার ছেলের চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখে জাহাঙ্গীর মোল্লা, ছেলে মেহেদী, স্ত্রী তাছলিমা সাবাই মিলে আমার ছেলেকে মারধর করে রাখে। আমার ছেলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থালে উপস্থিত হয়ে প্রধান আসামি সহ ২ জন কে আটক করে। কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাশেদুল আলম বলেন কয়রার যে ঘটনা আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ কাজ করে যাবো।