দীর্ঘ ১৭ বছর দলের ঘোষণা করা সকল কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসান আলী। মামলা হামলার পরও তিনি সামনে থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কাজ করে গেছেন। এবার নিজ দল ক্ষমতায় আসার পর তিনি ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান। ইতিমধ্যে তিনি ইউনিয়নের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মন জয় করে এগিয়ে চলেছেন। তার স্বপ্ন মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তোলা। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন বিগত ১৭ বছরের দুঃসহ ও অন্ধকার সময়ে যখন অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন, যখন নিজের ছায়া দেখলেও মানুষ আতঙ্কিত হতো, ঠিক তখন আমি অসহায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাড়িয়েছি। বিগত আওয়ামীলীগের দীর্ঘ শাসনামলে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির কান্ডারী ছিলেন তিনি।
হাসিনা বিরোধী প্রতিটি মিছিল, মিটিং, সভা ও সমাবেশে তার পদচারণা ছিল এক বীরের মতো। কিন্তু এই রাজপথের লড়াইয়ের জন্য তাকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। বিএনপি করার ‘অপরাধে’ তার নামে দেওয়া হয়েছিল ১২টি মিথ্যা মামলা। যার মধ্যে কয়েকটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, বাকি মামলা গুলা নিষ্পত্তির চলমান রয়েছে। ৩নং ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন- বিগত আওয়ামী আমলে উনি যে কষ্ট সহ্য করেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। তারপরেও এই দলের আদর্শ থেকে কখনো সরে যাননি। উনার মতো একজন নিঃস্বার্থ নেতাই আমাদের ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে খুব দরকার।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থিতা নিয়ে কথা হয় তৃণমূলের এই প্রাণপুরুষ জনাব মোঃ হাসান আলী সাথে। অত্যন্ত বিনয় ও দৃঢ়তার সাথে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান “ভাই, আমার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে আছে। কারণ আমাদের ইউনিয়নে মাদক এবং চোরাচালান নিয়ে অনেক বড় সমস্যা আছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কালভার্ট ও ব্রিজের অনেক উন্নয়ন দরকার। সর্বোপরি যুব উন্নয়নে আমাদের ইউনিয়ন অনেক পিছিয়ে আছে। যদি জেলা ও সদর উপজেলার বিএনপি আমাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি চেয়ারম্যান পদে দাঁড়াব। আর যদি সাধারণ মানুষের পবিত্র ভোটে আমি নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে আগামী দুই বছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ এই ইছালী ইউনিয়নকে যশোর জেলার মধ্যে একটি ‘আদর্শ ইউনিয়ন’ হিসেবে রূপান্তরিত করতে আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। শত নির্যাতন, কারাবাস আর সম্পত্তি হারানোর বেদনা বুকে চেপে যে মানুষটি ১৭ বছর ধরে রাজপথে গণতন্ত্রের মশাল জ্বালিয়ে রেখেছেন, আজ ইছালী ইউনিয়নের আপামর জনতা তাকেই তাদের ভাগ্যবিধাতা হিসেবে দেখতে চায়। ত্যাগী ও সৎ নেতৃত্বের যে জোয়ার ইছালীতে সৃষ্টি হয়েছে, তার কেন্দ্রে রয়েছেন কেবলই মোঃ হাসান আলী। দল ও জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত এই জননেতাই এখন ইছালীর আগামীর সোনালী ভোরের রূপকার।