পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার লতার ইউপি সদস্য কুমারেশ মন্ডল কে জড়িয়ে একটি মহল অপপ্রচার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিসিআর সম্পত্তির উপর পরিবার পরিজন নিয়ে ৫০ বছরের ও বেশি সময় ধরে বসবাস করছে ইউপি সদস্য ও পরিবার। এমনকি এই বাড়িতেই জন্মগ্রহণ করেছেন ইউপি সদস্য কুমারেশ। পারিবারিক এ বসতবাড়ি নিয়ে এলাকার প্রতিপক্ষ একটি মহল অপপ্রচার করে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে অভিযোগ করেছেন মেম্বার ও তার পরিবার। কুমারেশ মন্ডল উপজেলার পুটিমারী গ্রামের
কৃষ্ণপদ মন্ডলের ছেলে ও লতা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে উপজেলার লতা ইউনিয়নের উলুবুনিয়া নদীর পাশে এসএ ৪২ খতিয়ানের বিআরএস ১ থেকে ১৬ সহ বিভিন্ন দাগে ৫২ একর ভিপি সম্পত্তি রয়েছে। যা বর্তমানে বিআরএস একের এক খতিয়ান ভুক্ত। মোট সম্পত্তি এলাকার ৮ থেকে ১০ ব্যক্তি ডিসিআর বুনিয়াদে বহু বছর ধরে ভোগদখল করে আসছে। যার মধ্যে আমানুর রহমান ৫ একর, গনি সরদার ৫ একর, রণজিৎ দে ৫ একর, আকু গং ১১ একর, মিরাজুল ইসলাম, ইকবাল গং ১৭ একর, সুদীপ্ত ৩ একর, লুৎফর ১ একর ৫০ শতক ও প্রশান্ত মন্ডল ২ বিঘা। ডিসিআর মূলে প্রাপ্ত এ সম্পত্তি অনেকেই মৎস্য চাষ করছে, কেউ কেউ মাছ চাষের জন্য লীজ দিয়েছে, অনেকেই আবার বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে। ডিসিআর মূলে ভোগদখলকারীদের মধ্যে প্রশান্ত মন্ডল হচ্ছে ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কুমারেশ মন্ডলের ভাই। অনেকের মতো নালিশি এ জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে পিতা-মাতা ও পরিবার পরিজন নিয়ে প্রায় ৫৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছে ইউপি সদস্য কুমারেশ মন্ডল সহ ৪ ভাই। এদিকে ইউপি সদস্যের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এলাকার প্রতিপক্ষ একটি মহল নদীর জমি দখল করে বসবাস করছে এমন নানা অপপ্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউপি সদস্য ও তার পরিবার। এ ধরনের অপপ্রচারে ক্ষুব্ধ মেম্বারের পরিবার সহ এলাকাবাসী। স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ইব্রাহিম গাজী বলেন এসএ ৪২ খতিয়ানে ৫২ একরের মতো ভিপি সম্পত্তি রয়েছে। যা এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি ডিসিআর মূলে ভোগদখল করে থাকে। আমি নিজেই এই জমিতে একসময় লীজ ঘের করতাম বলে তিনি জানান। সাবেক জেলা বিএনপি নেতা মিরাজুল ইসলাম মিরাজ বলেন ইউপি সদস্য কুমারেশ ও তার ভাইয়েরা যে জমির উপর রয়েছে তা সম্পূর্ণ ডিসিআরের সম্পত্তি। ডিসিআর মূলে ওখানে আমাদের প্রায় ২০ একর সম্পত্তি রয়েছে বলে তিনি জানান।
রণজিৎ দে বলেন নদীর সম্পত্তি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ বিষয়টি সঠিক নয়, এখানে আমার ও ৫ একর জমি রয়েছে বলে তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য কুমারেশ মন্ডল বলেন আমার এবং আমার পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে প্রতিপক্ষরা আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করছে। এটা আমাদের পারিবারিক বসতবাড়ি। এই বাড়িতেই আমার জন্ম হয়েছে। ডিসিআরের জমি থেকে নদীর জমি অনেকটাই দূরে। এধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি।