বগুড়ার শিবগঞ্জে সরকারি ঘর ও বিভিন্ন ভাতা কার্ড দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মনোয়ারা বেগম নামে এক সাবেক নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগম উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সংরক্ষিত সদস্য।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি একাধিক অসহায় পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও কেউ ঘর পাননি এবং টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গণেশপুর এলাকায় মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কে ভুক্তভোগীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও আত্মসাৎ করা টাকা ফেরতের দাবি জানান।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী রিভা বেগম বলেন, “সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। চার বছর পেরিয়ে গেলেও ঘর পাইনি, টাকাও ফেরত পাইনি।”
অপর ভুক্তভোগী আবেদা বেগম বলেন, “গরু-ছাগল বিক্রি করে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কষ্টের টাকা নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে।”
বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা তাদের অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।