পাইকগাছায় মিনাজ নদীর চরভরাটি গজালিয়া ও কমলাপুর মৌজা গড়ে উঠেছে চৌমুহনী বাজার। বাজারের মধ্যে সরকারি যায়গায় অবৈধ দখল করে পাঁকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে পূর্বগজালিয়া গ্রামের পল্লি চিকিৎক আছাবুর রহমান সরদার নতুন করে আবারও পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ কাজ করছে। অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকার সচেতন মহল ।সরেজমিনে দেখা যায় চাঁদখালী ইউপিতে চৌমুহনী বাজারটি সম্পূর্ণ সরকারি খাস জমির উপর গুড়ে উঠেছে চৌমুহনী বাজারটি । দীর্ঘ ৬০থেকে ৭০ বছর বাজার চলমান, এখানে বিভিন্ন ক্ষমতাধারি ব্যাক্তিরা ইতিপূর্বে বাজারের যায়গা অবৈধ দখল করে কাঠের তক্তা বেড়া, বাঁশের খুটি,গোলপাতা ছাউনি দিয়ে দোকানঘর নির্মাণ করছে ।অনেকই মৃত্যু বরণ করছে, তাদের ওয়ারেশগন অন্যের কাছে মোটা টাকার বিনিময় বিক্রি করার ও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায় কয়েক বছর ব্যবধানে বাজারের সরকারি যায়গায় দখলে থাকা ব্যাক্তিরা লস্কর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে নতুন করে পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ করার হিড়িক পড়েছে। চৌমুহনী বাজারটিতে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহ মোঃ রুহুল কুদ্দুস এমপি থাকা কালে বাজার ভিতর চাঁদনি নির্মান হয়। বাজাররের কমিটির সভাপতি আতিয়ার রহমান সানা আওয়ামী দলীয় ক্ষমতায় দীর্ঘদিন ১৫-১৭বছর বাজারের সভাপতি অবৈধ ভাবে দায়িত্ব থাকায় তাহার যোগসাজসে বাজারের মধ্যে বহু গাছ কর্তন করে আত্মসাৎ,দায়িত্ব অবহেলায় চাঁদনিটি নষ্ট ।চাঁদনির মালামাল গায়েব করার ও অভিযোগ রয়েছে বলে জানাযায় । স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তিগণ বলেন চৌমুহনী বাজারের মধ্যে প্রায় ৫০ টির অধিক সরকারি যায়গায় অবৈধ ভাবে দখল করে পাঁকা দোকান নির্মাণ করে বহাল তবিয়াতে ব্যবসা করছে । সরকারী কর্মকর্তাগণ জানার পরেও তারা না দেখার ও জানার ভান করে থাকে। সচেতন ব্যাক্তিরা গত ২০২১ সালে বাজারটি পেরিপেরি করনে সাবেক সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু নিকট আবেদন করলে তিনি বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা সহকারি কমিশার ভূমির নিকট বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রেরণ করেন। পরবর্তী লস্কর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এনামুল হক সরেজমিনে এসে সরকারি যায়গায় অবৈধ ভাবে কতটি পাঁকা দোকানঘর করা হয়েছে তালিকা সহ আমিন দ্বারা বাজারের সীমানা নির্ধারণ করেন।কিছুদিন পরে দেখাযায় প্রশাসন নিরব,এমনি ভাবে লস্কর ইউনিয়ন অফিস কর্মকর্তা নিরব ভূমিকা পালন করায় দখলবাজরা বাজারের মধ্যে সরকার যায়গা ছাঁদ বিসিষ্ট পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ করার সুযোগ পেয়েছে । স্থানীয়রা জানান উত্তর গড়ের আবাদ, দক্ষিণ গড়ের আবাদ,পূর্বগজালিয়া ও কালুয়ার আবাদ গ্রামের একই পরিবারের বাজারের মধ্যে ২/৩ পজেশন দখল করে আছেন। অনেকই মোটা অংকের টাকার বিনিময় অন্যের নিকট দখলিও দোকানঘর সহ যায়গা হস্তান্তর করে থাকেন।বাজারটি মধ্যে অনেকেই দু তালা, ভবন নির্মাণ করে নিচে মার্কেট ও করছে। সম্প্রতি বাজারের মধ্যে আবারও পূর্বগজালিয়া গ্রামের পল্লি ডাক্তার আছাবুর রহমান সরদার গত কয়েকদিন আগে দখলে থাকা যায়গা পাঁকা দোকান নির্মাণের কাজ বহালতবিয়াতে চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকা বাসি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।