PriyoKhobor-PNG
শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১৯
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

অনলাইন প্রতারণা ও প্রতিরোধে করণীয়

এস আর নিরব
মে ৬, ২০২৬ ১২:২০ অপরাহ্ণ
| 53
Link Copied!

বাংলাদেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে লেনদেন সহজ ও দ্রুত হলেও একইসঙ্গে অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকিও বেড়েছে। প্রতারকরা বিভিন্ন কৌশলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছে। এই প্রতিবেদনে এমন প্রতারণার ধরন ও প্রতিরোধের উপায় আলোচনা করা হলো।

 

প্রতারণার সাধারণ কৌশলসমূহ

১. ভুয়া কল বা এসএমএস: প্রতারকরা নিজেদের বিকাশ/নগদের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে কল করে পিন (PIN) বা ওটিপি (OTP) জানতে চায়।

২. পুরস্কার বা লটারি প্রলোভন: “আপনি পুরস্কার জিতেছেন” বলে টাকা পাঠাতে বা তথ্য দিতে বলা হয়।

৩. ভুল করে টাকা পাঠানোর নাটক: “ভুলে টাকা গেছে” বলে ফেরত পাঠাতে বলে, অথচ আসলে টাকা পাঠানো হয়নি।

৪. ফিশিং লিংক: ভুয়া ওয়েবসাইট বা লিংকের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট তথ্য চুরি করা হয়।

৫. কাস্টমার কেয়ার সেজে প্রতারণা: গুগল বা ফেসবুকে ভুয়া কাস্টমার কেয়ার নম্বর দিয়ে প্রতারণা করা হয়।

 

প্রতারণা প্রতিরোধে করণীয়

১. পিন (PIN) ও ওটিপি (OTP) গোপন রাখা: কখনোই কারও সঙ্গে পিন (PIN), ওটিপি (OTP) বা পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে না।

২. অপরিচিত কল বা মেসেজ এড়িয়ে চলা: অজানা নম্বর থেকে আসা নির্দেশনা অনুসরণ না করা।

৩. অফিসিয়াল নম্বর যাচাই: শুধুমাত্র অফিসিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে কাস্টমার কেয়ার নম্বর নেওয়া।

৪. ফিশিং লিংক থেকে সতর্ক থাকা: সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করা।

৫. লেনদেন যাচাই করা: টাকা পাঠানোর আগে প্রাপকের নম্বর ও নাম ভালোভাবে যাচাই করা।

৬. অ্যাপ আপডেট রাখা: নিরাপত্তার জন্য সর্বশেষ ভার্সনের অ্যাপ ব্যবহার করা।

৭. দুই-স্তরের নিরাপত্তা (2FA): যেখানে সম্ভব অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা।

 

প্রতারণার শিকার হলে করণীয়

আরও পড়ুনঃ  উদীয়মান সংগীতশিল্পী মেঘনা মজুমদার: সুরের জগতে এগিয়ে চলার গল্প। 

দ্রুত সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে। নিকটস্থ থানায় বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করতে হবে এবং লেনদেনের প্রমাণ (SMS, স্ক্রিনশট) সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।

ডিজিটাল আর্থিক সেবা আমাদের জীবন সহজ করেছে, তবে সচেতনতার অভাবে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা, সন্দেহজনক কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকা এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে অনলাইন প্রতারণা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST