মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ২নং গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মানবতার ফেরিওয়ালা হাজ্বী আমিনুল ইসলাম।
সকল শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন।
মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক দিন। শ্রমিকদের ঘাম, ত্যাগ ও পরিশ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে আছে সভ্যতা, শিল্প ও অর্থনীতি। তাই তাদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি মানবিক ও নৈতিক কর্তব্য।
মে দিবস শ্রমের মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা দেয়। ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র, সমাজ ও সব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
নেতৃদ্বয় আশা প্রকাশ করেন—মেহনতী মানুষের সম্মান, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত হবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।
হাজ্বী আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময়সীমা ৮ ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন দাবি আদায়ের জন্য পথে নেমে এসেছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভ দমনে সেদিন বর্বর কায়দা অবলম্বন করা হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায় শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই।
শ্রমজীবী মানুষই একটি দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও অর্থনীতি গড়ে ওঠে। শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব।
১৮৮৬ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর মার্কেটে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসসহ ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে জীবনদানকারী শ্রমিকদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।
পাশাপাশি গাজীপুর ইউনিয়ন সহ দেশ ও দেশের বাহিরের সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।