ঝিনাইদহের কালীচরণপুর ইউনিয়নে ইয়াবার মতো ভয়াবহ মাদক এখন গ্রামীণ জনপদে ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ইউনিয়নের বড়াতলা বাজার সংলগ্ন একটি ইটভাটার পাশে সুমন নামের এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে চলছে মাদকের রমরমা কারবার। এই মরণনেশার হাতছানিতে অত্র এলাকার তরুণ প্রজন্ম ও যুবসমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, বড়াতলা বাজার ও পার্শ্ববর্তী ইটভাটা এলাকাকে নিরাপদ জোন হিসেবে ব্যবহার করছে মাদক কারবারি সুমন। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে বহিরাগত ও স্থানীয় মাদকসেবীদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। সুমনের এই সিন্ডিকেটের কারণে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ শ্রমজীবী যুবকরাও ইয়াবায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এর ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ সামাজিক অস্থিরতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
কালীচরণপুর ইউনিয়নের আঞ্চলিক সড়কের উন্নয়ন হবার কারনে ঝিনাইদহ শহরের বাইপাস সড়ক পেরিয়ে খুব সহজেই বড়াতলা বাজারে যাতায়াত করছে মাদকসেবিরা। সুমনের মতো আরো ছোট-বড় বেশকিছু মাকদ ব্যবসায়ী রয়েছে অত্রএলাকায় এই এলাকায় ইয়াবা ও গাজা হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে অথচ পুলিশ প্রশাসনের অলস ভূমিকা একটি রহস্য জনক বিষয়।
সুমনের মাদক ব্যবসায়ের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি না জানার ভান ধরেন, তিনি বলেন কই নাতো আমি ব্যাবসা করি নাতো। অথচ তার কিছুক্ষণ পরেই একটি সোর্স ধরে সুমনের কাছে যেয়ে ইয়াবা ক্রয় করা হয় যে ঘটনার সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সুমনেরসহ একাধ মাদক ব্যবসার কথা এলাকায় ওপেন সিক্রেট হলেও তাদের প্রভাব ও ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী ক্ষোভের সাথে জানান, প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘদিন ধরে এই ভয়াবহ মাদক ব্যবসা চললেও অজ্ঞাত কারণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরব ভূমিকা পালন করছে। প্রশাসনের এই রহস্যজনক নিরবতায় মাদক কারবারিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
সমাজ সচেতন মহলের মতে, অতি দ্রুত এই মাদক স্পট গুঁড়িয়ে দেওয়া হোক এবং সুমনের মতো ছোট-বড় সকল ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক। তা না হলে কালীচরণপুর ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পঙ্গু হয়ে যাবে। তারা অবিলম্বে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কা