
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবশেষ ইউনিট বন্ধের মধ্য দিয়ে কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা বলেছেন তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি বলেন, কয়লার সঙ্গে পাথর চলে আসায় এক নম্বর ইউনিটের বয়লার পাইপ ফেটে যায়। এতে বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, “মেরামত চলছে। এটি ঠিক করে আবার উৎপাদরে ফিরতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে।”
এর আগে থেকেই কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুই নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে এবং ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তিন নম্বর ইউনিটটি ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এবার সবশেষ ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে গেল।
তিনটি ইউনিটই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেওয়ায় উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে এক ও দুই নম্বর ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট করে এবং তিন নম্বর ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন।


