
আকাশ দাশ সৈকত:
জন্ম এবং শৈশবটা জাপানে কাটলেও পৈতৃকসূত্রে শুকি ইতোফুসা বাংলাদেশর নাগরিক। তাইতো নিজ দেশের হয়ে মাঠে খেলার জনায সর্বদা প্রস্তুত ছিলেন এই ফরোয়ার্ড। গতকাল মালেশিয়ার বিপক্ষে আসিয়ান কাপে অভিষেকের পর এমনটাই জানান তিনি।ভারত আসিয়ান কাপ থেকে নাম সরিয়ে নেওয়ার পর ফিফার অর্থায়নে সরাসরি প্রস্তাব আসে বাংলাদেশের কাছে আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে প্রথমবারের মতো ফিফার অর্থায়নে কোন বড় টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ থমাস ডুলির আক্ষেপ ছিলো দলে একজন গোলস্কোরারের । যে দলকে প্রয়োজনে গোল এনে দেবে। বাংলাদেশের ফুটবলে আজন্ম আক্ষেপ- পারফেক্ট স্ট্রাইকারের।যার জন্য ক্যাম্পে বেশ কিছু ফরোয়ার্ড আর স্ট্রাইকারকেও ডাক দেন তিনি।যাদের মধ্যে অন্যতম শুকি ইতোফুসা। ডুকে গেলেন ডুলির ২৩ সদস্যের আসিয়ান কাপের স্কোয়াডে। আর সেইখানে শুক্রবার আসিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই কোচ ডুলি অভিষেক করিয়ে দিলেন শুকির।
তবে এই ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হওয়ায় রোমাঞ্চিত শুকি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলের জার্সি পরা এবং সেই জার্সিতে মাঠে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’ স্বপ্ন পূরণ যে নিজের প্রথম ম্যাচেই হবে সেটি অবশ্য মনে করেননি।এরপরই বলেন, ‘আমি আসলে কখনও এভাবে ভাবিনি, যে গতকাল অভিষেক হয়ে যাবে, তবে আমি প্রস্তুত ছিলাম দেশের জন্য লড়তে।’দেশের জন্য লড়তে এখন পরিবার থেকে দূরে আছে শুকি। তাঁর বাবা বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান, এবং মা শিজু ইতোফুসা জাপানি নাগরিক। তারা দুজনেই থাকেন জাপানে।


