PriyoKhobor-PNG
সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:০৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

ডলি আক্তার হত্যা: প্রেম, বিরোধ থেকে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন পিবিআইয়ের

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৪:১০ অপরাহ্ণ
| 14
Link Copied!
নজরুল ইসলাম, গাজীপুর :
চাঞ্চল্যকর ডলি আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গাজীপুর জেলা। প্রায় পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্ক, বিয়ে নিয়ে বিরোধ ও পূর্বের দ্বন্দ্বের জেরে ডলি আক্তারকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় গাজীপুর জেলা পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।পিবিআই জানায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি আক্তার মোঃ মিশন ইসলামের ভাড়া বাসায় যান। সেখানে পূর্বের বিরোধ ও বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে মিশন তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। মিশনের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, ডলিকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর রাত আনুমানিক ২টার দিকে লুঙ্গি দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে এবং বালিশ দিয়ে মুখ চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহটি চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।হত্যার পর মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়। পরদিন মিশন বটি দা ও ব্লেড দিয়ে মরদেহটি কোমর থেকে দ্বিখণ্ডিত করেন। পরে মরদেহের একাংশ স্যুটকেসে এবং অপরাংশ বস্তায় ভরে বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনের সহযোগিতায় ভবানীপুর ব্রিজ এলাকার একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়।পিবিআই আরও জানায়, মরদেহ অজ্ঞাত ও পচনশীল হওয়ায় প্রথমদিকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, ক্রাইমসিন পরীক্ষা, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ, গোয়েন্দা তথ্য ও আসামিদের দেওয়া তথ্যের সমন্বয়ে নিহতের পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডের পুরো রহস্য উদঘাটন করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার বলেন, লাশটি অজ্ঞাত ও পচনশীল হওয়ায় মৃতার পরিচয় শনাক্ত করা শুরুতে কঠিন ছিল। তবে ক্রাইমসিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সোর্সের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে মৃতার পরিচয় শনাক্তসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।তিনি বলেন, “অপরাধী যত কৌশলেই অপরাধ সংঘটিত করুক না কেন, পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব।”মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
আরও পড়ুনঃ  বগুড়া কাহালুতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড

আরও পড়ুন

আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST