সুনামগঞ্জে বছরের পর বছর ধরে চলছে অনুমোদন বিহীন প্রশাসনের ছাড়পত্র (লাইসেন্স) ছাড়াই অবৈধভাবে আব্দুস সালামের করাত কলে কাঠ ছিড়ানোর কাজ। এই অপরাধে সম্প্রতি স-মিলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মিল মালিককে আর্থিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মিল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করার পরও আইন অমান্য করেই চলছে মিলে কাঠ ছিড়ানোর কাজ
দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে করাত কল দিয়ে(সমিল) গাছ ছিড়ানোর অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্থদন্ড প্রদান করে বৈধ কাগজপত্র(লাইসেন্স) ছাড়া করাত কল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করলে ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা বাজারের পাশে করাত কলের মালিক আব্দুস সালাম প্রতিদিন লক্ষ টাকার গাছ ছিড়ানোর কাজ করেই যাচ্ছেন। চলতি বছরের ২৪ জুলাই সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদিত্য পালের নেতৃত্বে বন বিভাগসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা মঙ্গলকাটা বাজারে লাইসেন্স বিহীন করাত কলে কাঠ ছিড়ানোর অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মিল মালিক আব্দুস সালামকে দশহাজার টাকা অর্থদন্ড করেন এবং যতোদিন পর্যন্ত বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ না করবেন ততোদিন করাত মিল(স-মিল) বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু মিল মালিক আব্দুস সালাম মোবাইল কোর্টের নির্দেশনা এক সপ্তাহ পালন করলেও তিনি পেশীশক্তির প্রভাব কাটিয়ে গত আগষ্ট মাস থেকে প্রশাসনের অনুমতিপত্র লাইসেন্স ছাড়াই পূনরায় শুরু করেছেন কাঠ ছিড়ানোর কাজ। তিনি মঙ্গলকাটা গ্রামের মোঃ রফিক মিয়ার ছেলে।সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,মিল মালিক আব্দুস সালামের সাথে স্থানীয় কিছু চোরাকারবারীদের সখ্যতা থাকায় চোরাকারবারীরা সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা মেহগুনী,শিলকড়ই,আকাশীসহ বিভিন্ন জাতের কাঠের গাছ এনে সমিলের চর্তুরদিকে শত শত গাছ রেখেছেন। অনুমতিপত্র ছাড়াই আব্দুস সালাম প্রশাসনের চোখকে ফাঁিক দিয়ে আবারো পুরোদমে কাঠ ছিড়ানোর কাজ শুরু করায় জনমনে নানান প্রশ্নে জন্ম দিয়েছে। মিল মালিক ও তিনজন শ্রমিক কাঠ ছিড়নোর কাজে ব্যস্ত থাকলে ও সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ছটকে পড়েন মিল মালিক আব্দুস সালাম এবং সাথে সাথেই শ্রমিকরা মিলে কাঠ ছিড়নো বন্ধ করে দেন। রাস্তার পাশে মিলটি স্থাপন করায় সাধারন পথচারী ও স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা ধূলোবালি ও শব্দ দূষনে প্রতিনিয়ত অতিষ্ঠ হচ্ছেন তারা।
ভস্কপপ ঃ- সমিলের শ্রমিক ও স্থানীয় কয়েকজন।মিল মালিক আব্দুস সালাম অডিও বক্তব্যে স্বীকার করে বলেন,মোবাইল কোর্টের পর ও অবৈধভাবে কাঠ ছিড়ানোর কাজ করছেন। সাংবাদিকরা আপনারা যা পারেন লিখেন আমার বিরুদ্ধে…………
ভস্কপপ ঃ- মোঃ আব্দুস সালাম,স-মিলের মালিক,মঙ্গলকাটা বাজার,সুনামগঞ্জ সদর।বন বিভাগের কর্মকর্তা এই করাত মিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,আমরা আগামী তিন/চারদিনের মধ্যে এই সমিলে অভিযান পরিচালনা করে করাত কল সিজ করার ঘোষনা দেন…………সিংক ঃ- মোঃ রিয়াজ উদ্দিন(ডিআর)রেঞ্জ অফিসার বণ বিভাগ,সুনামগঞ্জ।