PriyoKhobor-PNG
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:০৮
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

বেনাপোল বন্দরে জামাই-শ্বশুরের স্কেল কেলেঙ্কারির পর এবার মাসিক টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ৬:০৯ অপরাহ্ণ
| 145
Link Copied!

                        ২য় পর্বের নিউজ

জাহিদ হাসান,বেনাপোল প্রতিনিধি:

বেনাপোল স্থলবন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের স্কেল নম্বর-৬ ঘিরে ওজন কারসাজির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর এবার সামনে এসেছে আরও কিছু গুরুতর অভিযোগ। বর্তমানে ওজন কারসাজি না থাকলেও বন্দরকেন্দ্রিক বিভিন্ন কার্যক্রমে কথিত মাসিক টাকা আদায়, প্রতি গাড়ি থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ নেওয়া এবং সুবিধামতো অফিস আদেশ জারি করে নির্দিষ্ট সেডে ‘গাড়ি টু গাড়ি’ পারমিশন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকেও প্রতি মাসে ৬০ হাজার টাকা করে আদায়ের অভিযোগ রয়েছে উপপরিচালক রুহুল আমিন উপর। খবর নিয়ে জানা যায় এখানে গাড়ির মেনিফেস্ট প্রতি ১৫০-২০০টাকা করে আদায় করা হয়। এছাড়াও পুলের টাকা আদায় বাবদ বাড়তি ১০০০-১৫০০ টাকা আদায় করা হয়। এছাড়ার কাজের স্পিড মানি কালেকশন তো আছেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সিএন্ডএফ কর্মচারী এসকল লেনদেনের কথা স্বীকার করেন। এসকল টাকার ভাগ স্বরুপ তাকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। সূত্রের দাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মেহেদী হাসান, নিজ দায়িত্বে ওই টাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাসায় পৌঁছে দেন।

অভিযোগ রয়েছে, যেসব সেডে তুলার গাড়ি টু গাড়ি পারমিশনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেসব সেডের কোনোটিতেই প্রয়োজনীয় ইয়ার্ড নেই। এরপরও কীভাবে এসব সেডে এমন অনুমোদন দেওয়া হলো, সেই প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, পরিচালক বদলি হওয়ার পর উপপরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিনের প্রভাব আরও বেড়েছে। এ সময় তাকে কেন্দ্র করে জামাই-শ্বশুরের একটি কথিত সিন্ডিকেট এ ধরনের কার্যক্রমে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ, বর্ডার কার্গো বা খালি গাড়ি সংক্রান্ত কার্যক্রম থেকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিনকে দিতে হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অন্যত্র বদলির হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।

অন্যদিকে, তুলার প্রতিটি গাড়ি থেকে নেওয়া ১৫০ টাকার মধ্যে ৭৫ টাকা করে উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিনের জন্য নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের দেওয়া তথ্যে এ টাকা সংগ্রহের সঙ্গে মঈনুল হোসেন জুয়েল ও মেহেদী হোসেন, উভয়েই ট্রাফিক পরিদর্শক, জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে যদি গাড়িপ্রতি নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় এবং মাসিক অর্থ প্রদানের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এই অর্থের হিসাব কোথায়, কীভাবে এবং কার নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে?

এর আগে ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডের স্কেল-৬-এ ওজনের গরমিলের অভিযোগ, ৫৭০ কেজি পার্থক্যের দুইটি স্কেল স্লিপ এবং সেই ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এবারকার কথিত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে।

বিশেষ করে কোন সেডে কী ভিত্তিতে গাড়ি টু গাড়ি পারমিশন দেওয়া হয়েছে, সেখানে ইয়ার্ড না থাকা সত্ত্বেও অনুমোদন কীভাবে হলো, গাড়িপ্রতি ৭৫ টাকা নেওয়ার অভিযোগের অর্থ কোথায় যায় এবং মাসিক ২০ হাজার ও ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা কী, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

 অভিযোগের বিষয়ে উপপরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিন সম্পূর্ণ ঘটনা মিথ্যা এবং চক্রান্ত বলে দাবী করেন। অন্যদিকে ট্রাফিক পরিদর্শক মঈনুল হোসেন জুয়েল ও মেহেদী হোসেনের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। সেটি পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তাদের বক্তব্যও গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

(অনুসন্ধান চলমান…………)

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার গাবতলীতে মাদক নির্মূলে গ্রাম কমিটি গঠন, সুস্থ সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ এলাকাবাসী
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST