PriyoKhobor-PNG
মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:৩২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

কটিয়াদীতে বিধবাকে উত্যক্তের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন: থানা পুলিশের দাবি

দৈনিক গণআওয়াজ
জুন ১২, ২০২৬ ১:৫৫ অপরাহ্ণ
| 61
Link Copied!

মোঃ জজ মিয়া,(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া গ্রামে এক বিধবা নারীকে উত্যক্ত ও হুমকির ঘটনায় থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ চরপুক্ষিয়া গ্রামের মৃত রিপন মিয়ার স্ত্রী নার্গিস আক্তার গত ২৯ এপ্রিল প্রতিবেশী শাহজাহানের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কটিয়াদী মডেল থানা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয় এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।

এ ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদীকে আপোষ-মীমাংসার জন্য চাপ প্রয়োগের যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা সরাসরি নাকচ করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, “বাদীপক্ষকে কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। বরং ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা প্রদান এবং ভবিষ্যতে যাতে আসামি তাদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হচ্ছে।”

এদিকে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “কটিয়াদী এলাকায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর রয়েছে। কোনো অপরাধী বা মাদক কারবারিকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। পুলিশের বিরুদ্ধে আসামির কাছ থেকে সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কুলিয়ারচর উপজেলার কাইসার হামিদ নামে এক ব্যক্তি তার বক্তব্য গ্রহণ না করেই একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করেছেন, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।

ওসি জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তদন্তাধীন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে অপপ্রচার চালিয়ে পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিকতা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা আইনি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে। তারা সঠিক তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগ পর্যন্ত সকলকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  আশ্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখবে জার্মানি
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST