PriyoKhobor-PNG
বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

বগুড়ার শেরপুরে মতিন হত্যার ২৯ মাসেও বিচার নেই, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি

Editor-2
এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ৭:০৫ অপরাহ্ণ
| 14
Link Copied!

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের বিএনপি কর্মী আব্দুল মতিন (৬০) হত্যাকাণ্ডের ২৯ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত খুনিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তারা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহতের নাতি মাহিন তার নানার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
লিখিত বক্তব্যে মাহিন জানান, ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর তার নানাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন ২৪ নভেম্বর সকালে ঝিনাইগাড়ী পুকুরপাড় সংলগ্ন একটি ধানক্ষেত থেকে পুলিশ তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। দীর্ঘ ২৯ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন বা কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বরং তদন্তের নামে তার মামা মিলন রহমানকে বারবার থানায় ডেকে নিয়ে মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিহতের পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই আব্দুল মতিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার আগে-পরে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। হত্যার মাত্র ৮ দিন আগে, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর, তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন একটি গায়েবি মামলা দায়ের করে, যেখানে মতিনকে ৬৪ নম্বর আসামি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, শুরু থেকেই হত্যাকাণ্ডটিকে মাদক সংক্রান্ত বিরোধ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যায়।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু বলেন, “আব্দুল মতিন দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তাকে যেমন মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে, তেমনি তার হত্যার তদন্তও রহস্যজনকভাবে বিলম্বিত হয়েছে।”
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু বলেন, “একজন নাগরিককে হত্যার পর দীর্ঘ সময় বিচারহীন রাখা আইনের শাসনের পরিপন্থী। আমরা আশা করি, বর্তমান সরকারের আমলে এই পরিবারটি দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে।”
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্ত্রী লাইলী বেগম, মেয়ে মৌসুমী আক্তার এবং নাতি মাহিন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মনজুর আলম জানান, মামলাটির নথিপত্র নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং দ্রুত আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুনঃ  দিঘলিয়ায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের টানা ১০ বছরের সফলতা
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST