PriyoKhobor-PNG
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:০৮
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

পাইকগাছায় কোরবানির মাংস বিতরণ ও মসজিদ কমিটি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ; আহত-৬ 

দৈনিক গণআওয়াজ
জুন ১, ২০২৬ ৫:১১ অপরাহ্ণ
| 66
Link Copied!

পাইকগাছা ( খুলনা) প্রতিনিধি।।

পাইকগাছায় কোরবানীর মাংস বিতরণ ও মসজিদ কমিটি কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের পর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ চেষ্টার অভিযোগ ও করেছেন এক পক্ষ। গত বৃহস্পতিবার ঈদের দিন, শুক্রবার জুম্মার নামাজে এবং শনিবার গভীর রাতে উপজেলার রাড়ুলীর বাঁকায় মোড়ল পাড়া ও জোয়ার্দার পাড়ার মধ্যে পৃথক এসব ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোড়ল পাড়ার বিরুদ্ধে জোয়ার্দার পাড়া থানায় মামলা করেছে এবং এর প্রতিবাদে রোববার এলাকায় মানববন্ধন করে ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে মোড়ল পাড়ার লোকজন। ধারাবাহিক এ সব ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত প্রসঙ্গে মোড়ল পাড়ার মনিরুল ইসলাম বলেন বিগত বছরে কোরবানির মাংস মসজিদে মজুদ করে পরে তা এলাকার গরীবদের মাঝে বন্টন করা হতো। এবছর গত ২৮ মে বৃহস্পতিবার ঈদগাহে কোরবানির মাংস বন্টন করা হয়। বন্টনের পূর্বে আমার পিতা মিজানুর রহমান খাঁ ঈদগাহে গিয়ে গরীব ও দুস্থদের নামের তালিকা দেখতে চাই। এসময় জোয়ার্দার পাড়ার কবির, নুরুল ও আবুল গংরা আমার পিতাকে তালিকা দেখায়না এবং অপমান করে। পরের দিন ২৯ মে শুক্রবার জুম্মার নামাজের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে বাকপাড়া বায়তুন নূর মসজিদের কমিটি নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। প্রথমে জোয়ার্দার পাড়ার প্রতিপক্ষরা বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব করে অন্য দিকে কমিটির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোন কমিটি গঠন নয় এমন প্রস্তাব দেন মোড়ল পাড়ার শহিদুল মিজানুর গংরা। এনিয়ে তুমূল বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে মসজিদের মধ্যেই মারপিট শুরু করে দেয় প্রতিপক্ষরা। পরে মসজিদের বাইরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিপক্ষ রনি আবুল গংদের হামলায় মোড়ল পাড়ার মিজানুর রহমান খাঁ, শহিদুল মোড়ল আহত হয় বলে দাবি করেন মিজানুর গংরা।

অন্যদিকে জোয়ার্দার পাড়ার আলীম জোয়ার্দার হান্নান ও মনোয়ারা বেগম আহত হয় বলে দাবি করেন কবির গংরা। আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অনেককে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনার জন্য শহিদুল মোড়ল পক্ষ প্রতিপক্ষ তরিকুল, রনি (পুলিশ সদস্য) গংদের দায়ি করেছেন, অন্যদিকে মনোয়ারা বেগমরা প্রতিপক্ষ শহিদুল গংদের দোষারোপ করেছেন।

সায়মা বেগম বলেন এরই জের ধরে প্রতিপক্ষরা ৩০ মে শনিবার বিকালে লোকজন নিয়ে আমার বসতবাড়িতে হামলা করে। এসময় তারা আমার বসতবাড়ির বেড়া ভাংচুর করে এবং আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। সাজ্জাদ মোড়লের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম বলেন শনিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা আমাদের কাঠের ঘরে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে। আগুন দেওয়ার সথে সাথে টের পেয়ে লোকজন ছুটে এসে ধাওয়া করলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এসময় লোকজন ছড়িয়ে পড়ার আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলে। নাসিমা বেগম বলেন জোয়ার্দার পাড়ার সাথে আমাদের দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। তারা হামলা মামলা করে আমাদের হয়রানি এবং নির্যাতন করে আসছে। শাহিন মোড়ল জানান দুই পক্ষের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। আমাদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হলেও আমাদের পক্ষে দায়ের করা অভিযোগ টি এখন এজাহার হিসেবে গণ্য করা হয়নি। এজন্য আমরা এলাকাবাসী রোববার মানববন্ধন করে হামলা ও মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছি। প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন মিজানুর রহমান খাঁ।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুরো ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের এসআই সোহেল জানান, দু’পক্ষের মধ্যে পুরোনো বিবাদের জের ধরে ঈদের মাংস বিতরণ ও মসজিদের কমিটি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি আরোও জানান, এ মুহূর্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

 সর্বশেষ জানাগেছে, এ ঘটনায় দু’পক্ষই থানায় পাল্টা-পাল্টি ইজাহার দিলে এক পক্ষের মামলা রেকর্ড হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলা অভিষেক উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST