PriyoKhobor-PNG
সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:০১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

খন্দকার টোলা সড়কের বেহাল দশা: জনদুর্ভোগে ৫০ টি গ্রামের মানুষ

দৈনিক গণআওয়াজ
মে ২, ২০২৬ ৫:২৫ অপরাহ্ণ
| 11
Link Copied!

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ ‎

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ১০ নম্বর শাহবন্দেগী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ খন্দকার টোলা সড়কটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয়দের জন্য এখন একপ্রকার মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের চলাচলের এই সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য বড় বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকায় চলাচল হয়ে উঠেছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, খন্দকার টোলা, সাধুবাড়ী, মামুরশাহী, আয়রা, ভায়রা ও উচড়ংসহ প্রায় ৫০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। চারটি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ প্রতিদিন এ পথ ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন কোনো সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সড়কের পাশে পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে পুরো এলাকা নোংরা পানিতে একাকার হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এই পানি আশপাশের বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ছে।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, শুকনো মৌসুমে ধুলাবালু আর বর্ষায় কাদা ও নর্দমার পানির মধ্যে দিয়েই চলাচল করতে হয়। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

‎অটোরিকশা চালক মহিউদ্দিন ও রমজান আলী জানান, ভাঙা রাস্তার কারণে তাদের আয় কমে গেছে। প্রতিনিয়ত যানবাহনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ায় আয়ের বড় অংশ ব্যয় করতে হচ্ছে মেরামতে। যাত্রী ইয়াসিন, আরাফাত ও শামীম বলেন, অতিরিক্ত ঝাঁকুনির কারণে অনেক সময় মাথা গাড়ির ছাদে লেগে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

‎উল্লেখ্য, এই সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী খেরুয়া মসজিদ, যা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রতিদিন দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এখানে এলেও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক সময় নোংরা পানির মধ্য দিয়েই মসজিদে প্রবেশ করতে হচ্ছে, যা পর্যটন খাতের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

‎এদিকে সেরুয়া বটতলা থেকে ফুলতলা পর্যন্ত সড়কটিও প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও একইভাবে ভাঙাচোরা অবস্থা ও ড্রেনেজ সংকটের কারণে সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

‎শাহবন্দেগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তবে বরাদ্দের অভাবে এখনো কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং বরাদ্দ পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

‎দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুনঃ  নিষ্ঠা ও আদর্শের ৩৩ বছর, সম্মাননায় বিদায় শিক্ষক ধনঞ্জয় কুমার রায়
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST