এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে একজনকে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।ডিএনসি বগুড়ার ‘খ’ সার্কেলের একটি আভিযানিক দল এবং আদমদীঘি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে দুই ব্যক্তিকে আটক করে তাদের কাছ থেকে ৮টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আদমদীঘি উপজেলার বড় আখিড়া গ্রামের মামুনুল হকের ছেলে মো. পাপ্পু এবং ওপর পৌওতা গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে মো. ওয়াসিম আলী (৪৪)। ওয়াসিম আলীকে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছে ডিএনসি।অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়। আদালত মো. পাপ্পুকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মো. ওয়াসিম আলীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে দুজনকেই ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আদমদীঘির বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের বিস্তার রোধ এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অভিযানে জব্দ করা ৮টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।মাদকবিরোধী অভিযানে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত তৎপরতা অব্যাহত থাকলে মাদকের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।