PriyoKhobor-PNG
শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৪৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

ডাক্তার নন, তবুও নিয়মিত রোগী দেখেন মনিরামপুর হাসপাতালের কার্ডিওগ্রাফার রনি

দৈনিক গণআওয়াজ
আগস্ট ২৯, ২০২৬ ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
| 9
Link Copied!

​মোঃ মামুনুর রশীদ, মনিরামপুর (যশোর):

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের পরিবর্তে ইসিজি টেকনিশিয়ান বা কার্ডিওগ্রাফার দিয়ে রোগী দেখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যেখানে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসহায় রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ পাওয়ার আশা নিয়ে আসেন, সেখানে তাদের ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন একজন চিকিৎসকের সহকারি।​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের ১১৭ নম্বর কক্ষের এনসিডি কর্নারে প্রতিদিন জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। নিয়ম অনুযায়ী এই কর্নারে রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়ার কথা থাকলেও, সেখানে নিয়মিত রোগী দেখছেন মোস্তাফিজুর রহমান রনি নামের এক কার্ডিওগ্রাফার। অথচ তাঁর মূল দায়িত্ব কেবল ইসিজি করা, কোনো ধরনের চিকিৎসা দেওয়া বা ব্যবস্থাপত্র লেখা নয়।সম্প্রতি সরেজমিনে হাসপাতালটিতে গিয়ে এর সত্যতা মিলেছে। ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ফিজিশিয়ান স্যাম্পলও নিচ্ছেন নিয়মিত।
বহির্বিভাগের ওই কক্ষের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের চেয়ার ফাঁকা থাকলেও সেখানে বসে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ব্যবস্থাপত্র লিখছেন কার্ডিওগ্রাফার রনি। সরল বিশ্বাসে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা তাকে চিকিৎসক ভেবেই প্রেসক্রিপশন ও পরামর্শ নিচ্ছেন। অনেকেই জানেন না যে, তাদের জীবন নিয়ে এভাবে ঝুঁকি তৈরি করা হচ্ছে।​অনুসন্ধানে জানা যায়, মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ফায়াজ আহমেদ ফয়সালের সরাসরি নির্দেশে রনি এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফায়াজ আহমেদ ফয়সাল বলেন, মনিরামপুর হাসপাতালের কোথায় কোন রুমে কে দায়িত্ব পালন করবেন এগুলো আরএমও অনুপ কুমার বসু দেখা শোনা করেন। চিকিৎসক না হয়ে তিনি ব্যবস্থাপত্র লিখছেন এটা অন্যায় হয়েছে, যেহেতু তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে আমরা তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেবো, ঘটনার সাথে তার সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।মনিরামপুর হাসপাতালের আরএমও অনুপ কুমার বসু বলেন, রনি একজন কার্ডিওগ্রাফার এবং ডিএমএফ পাশ করা, তার দায়িত্ব হলো ওই রুমে বসে স্লিপ দেওয়া কিন্ত সে নিজেই রোগী দেখছেন বিষয়টি আমার অজানা, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হওয়ায় আমরা দ্রুত তাকে ওখান থেকে সরিয়ে দেবো।​চিকিৎসক না হয়েও এভাবে নিয়মিত ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এই বিষয়ে মনিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়ম পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইপিআই কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ, মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে কৈফিয়ত তলব
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST