আসন্ন ঝিকরগাছা পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এবার বিভিন্ন মহলের আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছে বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, ঝিকরগাছা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব, ঝিকরগাছা স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি এবং সাবেক ছাত্রনেতা আরাফাত কল্লোলের নাম।
দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন, তরুণদের খেলাধুলামুখী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তিনি একটি পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত হন। ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঝিকরগাছা পৌরসভাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, আধুনিক এবং নাগরিকবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যাশা থেকে অনেকেই নতুন নেতৃত্বের বিষয়ে মতামত দিচ্ছেন। তাঁদের একাংশের ভাষ্য, জনসম্পৃক্ত, কর্মঠ এবং উন্নয়নমুখী নেতৃত্বই আগামী দিনের ঝিকরগাছা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে আরও পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাবে। তবে নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন নাম নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
এদিকে আরাফাত কল্লোলের সমর্থকদের দাবি, ক্রীড়া, সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতার কারণে তিনি মেয়র পদে একজন সম্ভাবনাময় মুখ। যদিও এ বিষয়ে আরাফাত কল্লোলের আনুষ্ঠানিক কোনো নির্বাচনী ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গুম হত্যার শিকার ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির প্রয়াত সভাপতি ও যশোর জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শহীদ নাজমুল ইসলাম এর ছোট ভাই মোহাম্মদ আরাফাত কল্লোল এর নামে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের শাসনামলে অর্ধশতাধিকের বেশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে বহুবার কারানির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ আরাফাত কল্লোল বর্তমানে ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, ঝিকরগাছা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এবং ঝিকরগাছা স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, সামাজিক উদ্যোগ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা তাঁকে ঝিকরগাছা পৌর নির্বাচনের আলোচনায় এনে দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।