
এস এ বিপ্লব, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল’২৬) বিকেলে নওগাঁর বদলগাছী থানায় ১০ বছর বয়সী চতুর্থ শ্রেণীর এক শিশুকে ধর্ষণ এবং ৮ বছর বয়সী অপর এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায় ।
এই ঘটনায় প্রতিবেশী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা। বর্তমানে ধর্ষণে শিকার শিশুটি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কোলা ইউনিয়নের হুদ্রাকুড়ি গ্রামে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আব্দুস সাত্তার (৬০), পিতা- মৃত কাদির উদ্দিন সরদার। আসামি একই গ্রামের বাসিন্দা।
এজাহারে বলা হয় প্রতিবেশী বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার গত ১১ এপ্রিল দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাড়ির পাশে মাঠে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন এবং বাবা রাজমিস্ত্রির কাজে জয়পুরহাটে ছিলেন। এই সুযোগে আসামি আইসক্রিম ও বিস্কিট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশু (১০) এবং তার খেলার সঙ্গী (৮) অপর এক শিশুকে নিজের পরিত্যক্ত মাটির ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তিনি বড় শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ছোট শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
অভিযোগের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ সুপার, নওগাঁ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মহাদেবপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং অফিসার ইনচার্জ বদলগাছি থানার নেতৃত্বে তিনটি বিশেষ টিম তৈরি করা হয়। একই সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ এবং গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে বিশেষ টিমগুলো রাতভর,বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একটানা অভিযানে শনিবার (১৮এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় অভিযুক্তকে বাদলগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। বর্তমানে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইলানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মামুনুর রহমান রিপন, গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান। তিনি তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ধর্ষকের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, শিশুদের বিরুদ্ধে যে কোন ধরনের ভায়োলেন্স জেলা পুলিশ কঠোর হস্তে দমন করবে বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা
নওগাঁর আলোচিত বদলগাছির শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
এস এ বিপ্লব, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল’২৬) বিকেলে নওগাঁর বদলগাছী থানায় ১০ বছর বয়সী চতুর্থ শ্রেণীর এক শিশুকে ধর্ষণ এবং ৮ বছর বয়সী অপর এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায় ।
এই ঘটনায় প্রতিবেশী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা। বর্তমানে ধর্ষণে শিকার শিশুটি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কোলা ইউনিয়নের হুদ্রাকুড়ি গ্রামে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আব্দুস সাত্তার (৬০), পিতা- মৃত কাদির উদ্দিন সরদার। আসামি একই গ্রামের বাসিন্দা।
এজাহারে বলা হয় প্রতিবেশী বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তার গত ১১ এপ্রিল দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাড়ির পাশে মাঠে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন এবং বাবা রাজমিস্ত্রির কাজে জয়পুরহাটে ছিলেন। এই সুযোগে আসামি আইসক্রিম ও বিস্কিট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশু (১০) এবং তার খেলার সঙ্গী (৮) অপর এক শিশুকে নিজের পরিত্যক্ত মাটির ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তিনি বড় শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ছোট শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
অভিযোগের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ সুপার, নওগাঁ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মহাদেবপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং অফিসার ইনচার্জ বদলগাছি থানার নেতৃত্বে তিনটি বিশেষ টিম তৈরি করা হয়। একই সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ এবং গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে বিশেষ টিমগুলো রাতভর,বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একটানা অভিযানে শনিবার (১৮এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় অভিযুক্তকে বাদলগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন। বর্তমানে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইলানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মামুনুর রহমান রিপন, গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান। তিনি তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ধর্ষকের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, শিশুদের বিরুদ্ধে যে কোন ধরনের ভায়োলেন্স জেলা পুলিশ কঠোর হস্তে দমন করবে বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।


