PriyoKhobor-PNG
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেপ্তার

গনআওয়াজ অনলাইন ডেক্সঃ
জুন ১৪, ২০২৬ ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
| 16
Link Copied!

কুমিল্লার দাউদকান্দি থানায় ধর্ষণ ও জোর করে ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

তিনি বলেন, দাউদকান্দি থেকে শিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি। এক নারীর করা ধর্ষণের অভিযোগ ও বিয়ের চাপ এড়াতে তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও বলেন, গত ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন উল্লেখ করে পরদিন ১২ জুন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অপহরণের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই জিসানকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নামে। তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, প্রায় ৫-৬ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে দাউদকান্দি এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় জিসানের ভাড়া বাসায় ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জিসান তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জিসান তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দিতে থাকেন। এমনকি গর্ভপাত না করলে হত্যার হুমকিও দেয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় প্রাণনাশের আশঙ্কায় তরুণী গর্ভপাত করাতে রাজি হন। এরপর জিসান গর্ভপাতের ওষুধ সংগ্রহ করে তরুণীকে খাওয়ান। পরবর্তীতে গর্ভপাত হলে, তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন।

পুলিশ সুপার জানান, তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, বিয়ের বিষয়ে চাপের মুখে পড়ে জিসান ১২ জুন বিয়েতে সম্মতি জানান। তবে বিয়ে এড়ানোর উদ্দেশ্যে ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার পর তিনি নিজেই আত্মগোপনে চলে যান এবং পরবর্তীতে নিজের নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজিয়ে স্বজনদের মাধ্যমে থানায় জিডি করান। একপর্যায়ে লাকসাম থানা এলাকার স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহযোগিতায় শুক্রবার রাতে আত্মগোপনে থাকা জিসানকে লাকসাম থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জিসান উদ্ধারের খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী থানায় উপস্থিত হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দাউদকান্দি মডেল থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জিসান বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

এদিকে, শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শিবির নেতা নিখোঁজের পর উদ্ধার ও ধর্ষণের মামলার আসামি হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি খোঁজ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ইসলাম ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষ নেতারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের তারা বলেন, কেউ অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ১০ বছর পর ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারালো শ্রীলঙ্কা
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST