
এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
একজন সাধারণ ভোক্তার অভিযোগের ভিত্তিতে বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক সাতমাথা দই পট্টিতে অবস্থিত শেরপুর দই ঘর নামের একটি প্রতিষ্ঠানে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে ফাঙ্গাসযুক্ত দই বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করে রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ সংবলিত ট্যাগ পরিবর্তন করে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগেরও সত্যতা মেলে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন ফাঙ্গাসযুক্ত দইয়ের সরা জব্দ করা হয় এবং জনসম্মুখে তা ধ্বংস করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের দায় স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় শেরপুর দই ঘরকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল।
এ সময় সাতমাথা এলাকার অন্যান্য দই ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং নিরাপদ খাদ্য আইন সম্পর্কে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফজিলাতুন্নেসা ফৌজিয়া। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল সহযোগিতা প্রদান করে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তারা খাদ্য ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান এবং ভোক্তাদের যেকোনো অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার অনুরোধ করেন।


