PriyoKhobor-PNG
শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৫০
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে একটি গ্রামের নদীভাঙন আতঙ্কে দিন পার, জোটেনি এক টুকরো কোরবানি মাংস। 

দৈনিক গণআওয়াজ
মে ২৮, ২০২৬ ১০:০৩ অপরাহ্ণ
| 132
Link Copied!

রতন রায় : কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস বিতরণের উৎসবমুখর দিন অতিবাহিত হলেও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের গোয়াইলপুরী এলাকায় ছিলো ভিন্ন চিত্র। গোয়াইলপুরী ছিলো না কোরবানির কার্যক্রম। না ছিলো এ এলাকার মানুষের মধ্যে ঈদ উৎসবের আমেজ। আজকের এই ঈদুল আজহার দিনটিতে গোয়াইলপুরী এলাকায় বসবাসরত ২৫০ পরিবারের কোন মানুষের ভাগ্যে জোটেনি এক টুকরো কোরবানির মাংসও। বার বার নদী ভাঙন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এসব শ্রমজীবী, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের পরিবারের মানুষগুলো এবারের ঈদে দিনে থেকেছেন কোরবানির মাংসের স্বাদ থেকে বঞ্চিত।

ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেন স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বছরের পর বছর ধরে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে নিঃস্ব গোয়াইলপুরী এলাকার এসব পরিবার। আজ ঈদুল আজহার দিনে যখন মানুষ উৎসবমুখর দিন অতিবাহিত করছে ঠিক সেই মুহুর্তে ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছে এ এলাকার মানুষ। যেদিনটিতে সারাদেশের মানুষ কোরবানির মাংস বিতরণ কিংবা ভোজনে ব্যস্ত। এমন একটি দিনে এই চরের হতদরিদ্র পরিবারগুলোর কারোর ভাগ্যে জোটেনি এক টুকরো কোরবানির মাংস। এগিয়ে আসেনি কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কিংবা প্রশাসন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, “সারাদেশে যখন মানুষ আজ ইদ উৎসব ও কোরবানির মাংস খাওয়ায় ব্যস্ত এমন একটি দিনে গোয়ালপুরী এলাকার ২৫০ পরিবারের কারো ভাগ্যে জোটেনি এক টুকরো কোরবানির মাংস। এই এলাকায় সব মানুষই নিম্ন আয়ের খেটেখাওয়া। এসব মানুষের মধ্যে অতি সামান্য সংখ্যক মানুষ হাট থেকে ব্রয়লারের মাংস কিনে এনে খেয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আজ এই উৎসবের দিনটিতেও নদী ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে উদ্বেগ, উৎকন্ঠায় দিন পার করছেন গোয়াইলপুরী এলাকার এসব পরিবার। গত এক মাসের ব্যবধানে এ এলাকার ২০-২৫টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে একটি মাদরাসা সহ অসংখ্য পরিবারের বসতভিটা। তাই অতিদ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পরেছে। এছাড়াও অতিবৃষ্টির কারণে পানিবন্দি হয়ে পরেছে এ এলাকার অন্তত ৫টি পরিবার।”

গোয়াইলপুরী এলাকার আমেনা বেওয়া বলেন, হামার এলাকার সগাই খাটি খাওয়া মানুষ। কোরবানি তো দুরের কথা গোশতো কিনি খাওয়ার উপায় নাই। সকাল থাকি বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিনু। কাইয়ো এক টুকরো গোশতো দেইল না। এবার আর কোরবানির গোশতোর স্বাদ পাইলোং না।

এবিষয়ে যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, “প্রতিবছর এসব চরে গরু কোরবানি হলেও আমার জানামতে এ ঈদে কোন গরু কোরবানি হয়নি। এছাড়াও গোয়ালপুরী এলাকার অধিকাংশ মানুষই নিম্ন আয়ের৷ তাদের কোরবানির সামর্থ্য নেই।”

আরও পড়ুনঃ  রামগঞ্জে ফসলি জমির মাঠ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার 
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST