যশোরে প্রকাশ্য দিবালোকে শামসুর রহমান নামে এক সাংবাদিককে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে যশোর কোতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে (২৫ মে) সোমবার দুপুরে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন সাংবাদিক শামসুর রহমান (নিরব)। যার জিডি নং-২০৮৯ ।
জিডি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, শামসুর রহমান সাংবাদিকতা পেশাগত দায়িত্ব ও ব্যবসার কারণে বেশিরভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। যশোরে তার গাড়ির ব্যবসা রয়েছে। জিডিতে বিবাদী হিসাবে আরিফ হোসেন (লতা), পিতা-মৃত মিনাজ আলী,সাং-নোয়াপাড়া, থানা- কোতয়ালী, জেলা-যশোর এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির কথা উল্লেখ করেছেন। জিটিতে আরো উল্লেখ করা আছে,গত ২৯/০৯/২৫ তারিখ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভিন্ন সময় আমার ব্যবহারিত মোটরসাইকেল সহ আমার ব্যবহারিত কিছু জিনিসপত্রসহ ১৫ টি অটো রিক্সা জোর পূর্বক ছিনতাই করে নিয়ে যায় একটি চক্র। পরে আমি যশোর কোতয়ালী থানাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করি ও আদালতে একটি মামলা করি যাহা এখনো চলমান। পরে আমি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি যে, আমার আদালতের মামলায় আমি যাদেরকে আসামি করেছি, তারা সবাই জিডিতে উল্লেখিত বিবাদীর ছাত্রছায়ায় থেকে আমার গাড়িগুলো ছিনতাই করে নিজেদের দখলে রেখে বর্তমানে যশোর শহরে ভাড়ায় চালাচ্ছে। উল্লেখিত বিবাদী আমার আদালতে মামলার ১নং আসামীর সাথে যোগসাজশ করে ও অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে ছিনতাইকৃত গাড়িগুলো আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে এবং আমাকে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৩/০৫/২৬ তারিখে বিকাল ০৫:০০:০০ ঘটিকার সময় আমার বন্ধু স্থানীয় কিসমত নোয়াপাড়ার রজনীগন্ধা তেল পাম্পের সামনের দোকানদার আসাদুজ্জামান ঝন্টুর দোকানে গিয়া উক্ত বিবাদী আমাকে খোঁজাখুঁজি করে এবং আমাকে না পাইয়া বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থান ত্যাগ করে।তাই আমি আশঙ্কা করছি যেকোনো সময় উক্ত বিবাদী আমার বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করতে পারে। এই ঘটনার বিষয়ে সাক্ষী ১। আসাদুজ্জামান ঝন্টু। ২।আমিনুল ইসলাম সহ আরো অনেকে জানে।
ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করেছেন সাংবাদিক শামসুর রহমান নীরব।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালী থানার তালবাড়িয়া ক্যাম্পের ইনচার্জ তানিম ইসলাম জানিয়েছেন, সাংবাদিক শামসুর রাহমানের জিডির বিষয়টি জেনেছি। খুব দ্রুতই বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।