
খুলনা প্রতিনিধি।।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ওএমএসের চাল বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের ওয়ার্ড সেক্রেটারি মহসিন শেখের বিরুদ্ধে ওএমএস ডিলারের ১০ বস্তা চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি ওই চাল তার চাচাতো ভাই এরশাদ নামে এক দোকানদারের কাছে বিক্রি করেন।
এ ঘটনায় কামারগাতি পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ এসআই রিপন সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করে হাতেনাতে ১০ বস্তা চাল জব্দ করেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, মহসিন শেখের পরিবার অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও ৫ আগস্টের পর থেকে তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন।
এছাড়া নির্বাচনের আগে ভোট না দিলে “রগ কেটে নেওয়ার” মতো হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, এসব ঘটনার একাধিক প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া অঞ্চলের বিএনপির শীর্ষ নেতা জনাব আজিজুল বারী হেলালের প্রতি স্থানীয় সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে দ্রুত সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত—তিন ধারার রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে একটি পরিবার এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আগামী নির্বাচনে জনগণ ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দিতে প্রস্তুত।”তারা প্রশ্ন তোলেন, “যারা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, তারা কীভাবে বিএনপিতে জায়গা পেলেন?”
একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman-এর হাতে গড়া দল Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কি না, সে বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মহসিন শেখ, কামরুল মেম্বার বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


