PriyoKhobor-PNG
মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:১৯
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

বনদস্যু আল আমিন গুমরে অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তি হীন 

দৈনিক গণআওয়াজ
মে ১০, ২০২৬ ২:৩২ অপরাহ্ণ
| 62
Link Copied!

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ

কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের আল আমিন সরদারকে গুমের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন। উক্ত মামলাটি হয়রানী করার উদ্দেশ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। মামলার আসামিরা এটিকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন । রবিবার (১০ মে) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলার ৩নং কয়রা গ্রামের ইব্রাহিম গাজীর পুত্র মোঃ বিল্লাল হোসেন গাজী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, মহেশ্বীপুর ইউনিয়নের আল আমিন দীর্ঘদিন সুন্দরবনকেন্দ্রীক দস্যুতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আত্মসমর্পণের পর আবারও তিনি দস্যুতায় ফিরে যান। সুন্দরবনে বনদস্যুতা করা কালিন সময় সে জেলে বাওয়ালীদেরকে নানাবিধ নির্যাতন চালায়। তার অত্যাচারে এ জনপদের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। এরপর জানতে পারি গত ১৬ এপ্রিল কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আল আমিনের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন একটি গুমের মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আমাকে সহ সাত জনকে আসামি করা হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে আল আমিন কোথায় আছেন, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে তারা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি মামলায় মনগড়া তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এ সকল ঘটনায় আল আমিনের স্ত্রী বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।ঘটনা সম্পর্কে কিছু না জানলেও নিরহ মানুষদের আসামী করে হয়রানী করা হচ্ছে। ঐ মামলায় যাদেরকে স্বাক্ষী করা হয়েছে তারা অনেকেই ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেনা। মামলার ৪নং স্বাক্ষী সাইফুল শেখ ও ৫নং স্বাক্ষী জন্মজয় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে এর প্রতিবাদ জানান। কয়েক মাস আগে সুন্দরবনে মাছ ধরার সময় আল আমিন হান্নান নামের এক জেলেকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাকে গুলি করে আহত করা হয়। পরে কোস্ট গার্ডের সহায়তায় তিনি বাড়ি ফেরেন। এ ঘটনায় একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। কয়রা সদর ইউনিয়নের ৫নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য শেখ সোহরাব হোসেন বলেন, বিল্লাল হোসেন গাজী সহ ঐ মামলারর অন্য আসামিরা নিরীহ মানুষ। তাদেরকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতিদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আল আমিন আবার সুন্দরবনে গিয়ে দস্যু কর্মকান্ড শুরু করেন। হয়রানির উদ্দেশ্যে তার স্ত্রী মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এর আগে আল আমিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। পরে আবারও দস্যুতা শুরু করেন। স্থানীয়রা জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আল আমিন সুন্দরবনের জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ফের দস্যুতায় সক্রিয় হন। কয়েক মাস আগে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি জাহাঙ্গীর বাহিনী ছেড়ে ‘আল আমিন বাহিনী’ নামে পৃথক একটি দল গঠন করে বনজীবীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এক মাস আগে আল আমিনের মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখা গেছে বলে এলাকায় গুঞ্জন ওঠে। তবে পুলিশ ও স্বজনদের খোঁজাখুঁজির পরও এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পাইকগাছায় নালিশী জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ ; শালিসি বৈঠকে নিষ্পত্তির চেষ্টা
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST