PriyoKhobor-PNG
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৪৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

বগুড়ার শেরপুরে ইজারা ছাড়াই হাটে খাজনা আদায়ের অভিযোগ, বেতন বকেয়ায় কর্মবিরতি

দৈনিক গণআওয়াজ
এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ৭:৩০ অপরাহ্ণ
| 2
Link Copied!

এম,এ রাশেদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ

বগুড়া প্রতিনিধি: শেরপুর পৌরসভা-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারও ৩০ মাস, আবার কারও ৫৬ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘদিন বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এ অবস্থায় বকেয়া বেতনের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করেছেন পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

তাদের অভিযোগ, ইজারা ছাড়াই বারোদুয়ারী হাট-এ খাজনা আদায় করছে একটি চক্র। অথচ সেই অর্থ পৌরসভার তহবিলে জমা না পড়ে লুটপাট হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী গত চৈত্র মাসের মধ্যেই বারোদুয়ারী হাটের ইজারা কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। চলতি অর্থবছরে হাটটির ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৮৪ লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউ অংশ নেয়নি। ফলে বৈশাখের শুরু থেকে পৌরসভার কর্মচারীদের মাধ্যমে খাস আদায়ের কথা থাকলেও বাস্তবে ইজারা ছাড়াই খাজনা আদায়ের ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

পৌরসভার টিকাদানকারী আফরুজা বেগম বলেন, “একদিকে টাকার অভাবে আমাদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে ইজারা ছাড়াই হাটের খাজনা তোলা হচ্ছে। কারা তুলছে, অফিসে জিজ্ঞেস করলে কেউ উত্তর দিতে পারে না। একটি সিন্ডিকেট পৌরসভার টাকা লুটপাট করছে, আর আমরা বেতন না পেয়ে কষ্টে আছি।”

সোমবার সরেজমিনে বারোদুয়ারী হাটে গিয়ে খাজনা আদায়ের সত্যতা পাওয়া যায়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করা হচ্ছে।

কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম বলেন, “এখানে অনেক দোকান প্রতিদিন বসে। তাদের কাছ থেকে প্রতিদিন খাজনা নেওয়া হয়।”

মাছ ব্যবসায়ী শাহিন আলম বলেন, “সোমবারে ৩০ টাকা এবং বৃহস্পতিবার ৪০ টাকা করে খাজনা আদায় করা হয়।”

আরেক মাছ ব্যবসায়ী আলম শেখ বলেন, “আগে যারা খাজনা নিত তারা এখন আর আসে না। তিন হাট ধরে নতুন একজন এসে খাজনা নিচ্ছে। সবাই দেয়, তাই আমিও দিতে বাধ্য হচ্ছি।”

মুদিদোকানি টিংকু সাহা বলেন, “আমরা জেনেছি এই হাট এখনও ইজারা দেওয়া হয়নি। কিন্তু ইজারাদার পরিচয়ে কিছু লোক নিয়মিত আমার কাছ থেকে ১৫০ টাকা করে নিচ্ছে। হাটের দিন ছাড়াও খাজনা আদায় করা হয়। এতে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”

পান বিক্রেতা মদন কুমার চাকী বলেন, “আমি পান-সুপারি বিক্রি করি। প্রতি হাটে আমার কাছ থেকে দুইবার খাজনা নেওয়া হয়। একই দোকান থেকে আলাদা পণ্যের জন্য খাজনা নেওয়া অন্যায়।”

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, স্থানীয় এক ব্যক্তি সোহেল রানার লোকজন এসব খাজনা আদায় করছেন। তবে এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ইজারাদার নই। পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে খাস আদায় করা হচ্ছে।”

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রাম রাজারহাটে চাকিরপশার বিলে মোবাইল কোর্টের অভিযান চায়না দুয়ারি জাল জব্দ ও ধ্বংস
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST