PriyoKhobor-PNG
বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৫৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

দুর্গাপুরে সারের বস্তা ‘গায়েব’ হওয়ার সংবাদ ভিত্তিহীন: প্রশাসন ও ব্যবসায়ীর লিখিত ব্যাখ্যা

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ১:০৭ অপরাহ্ণ
| 15
Link Copied!
‎‎দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহীর দুর্গাপুরে অবৈধ রাসায়নিক সার উদ্ধারের পর ‘৩২৫ বস্তা সার গায়েব’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, তথ্যবিকৃত ও চরম বিভ্রান্তিকর দাবি করেছে উপজেলা প্রশাসন। সার উদ্ধার, গণনা, সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ এবং বিক্রয়লব্ধ সম্পূর্ণ অর্থ ই-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সব নথিপত্র সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এমনকি অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নিজেও সারের বস্তা গায়েবের দাবিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন।‎​প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রাপ্ত লিখিত তথ্যে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুরের কিসমতগণকৈড় ইউনিয়নের আড়ইল গ্রামের ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলামের তালাবদ্ধ বসতবাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানা এবং ​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী।‎এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে বাড়িতে থাকা সার গণনা করা হয়। গণনায় বারান্দা ও ভেতরের কক্ষে ৩২৪ বস্তা ডিএপি, ২৪৬ বস্তা ইউরিয়া এবং ১০০ বস্তা টিএসপিসহ মোট ৬৭০ বস্তা অবৈধ সার পাওয়া যায় এবং তাৎক্ষণিক জব্দ করা হয়।‎​জব্দ করা সারের কোনো অংশই গায়েব হয়নি উল্লেখ করে প্রশাসন জানান, উদ্ধারকৃত ৬৭০ বস্তা সার কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত সরকারি মূল্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। সার বিক্রির মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২৫০ টাকা ই-চালানের (চালান নং: ২৬২৭-০০১৭১১৪৪৫২২১) মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কোডে জমা দেওয়া হয়েছে এবং বিক্রির মাস্টাররোল সরকারি হেফাজতে সংরক্ষিত রয়েছে।‎​উদ্ধার অভিযানে বিভ্রান্তির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে জানানো হয়, একই দিনে পার্শ্ববর্তী পুঠিয়া উপজেলার কার্তিকপাড়া বাজারে সাইদুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘মেসার্স নিশি কীটনাশক বিপণী’তেও অভিযান চালিয়ে আরও ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করে পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন। অর্থাৎ, দুই উপজেলা মিলে সাইদুল ইসলামের মোট ১,০০০ বস্তা সার জব্দ হয়েছিল। কিন্তু প্রকাশিত সংবাদে পুঠিয়ার ৩৩০ বস্তা সারের তথ্য বাদ দিয়ে শুধু দুর্গাপুরের হিসাব টেনে এনে মনগড়াভাবে ‘৩২৫ বস্তা সার গায়েব’ হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

‎​এদিকে, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম এক লিখিত স্বীকারোক্তিতে জানান, তাঁর কোনো সার বিক্রির লাইসেন্স ছিল না। তিনি চট্টগ্রাম, যশোর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে সার এনে নিজ বাড়িতে অবৈধভাবে মজুত করে মৎস্যচাষীদের কাছে বিক্রি করতেন। তিনি বলেন, অভিযানকালে উপস্থিত সকলের সামনে কাঠি দিয়ে বস্তা গণনা করে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। তাই সারের হিসাব কম-বেশি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া সংবাদের বিষয়ে আমি কোনো সাংবাদিক বা পত্রিকার সঙ্গে কথা বলি নাই বা কোনো জবানবন্দিও দিই নাই।‎​জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে।
আরও পড়ুনঃ  বগুড়ার গাবতলীতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক আটক, ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST