PriyoKhobor-PNG
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৫৭
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

পাঁচবিবিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ভূমি উন্নয়ন কর আদায়

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১২:৪২ অপরাহ্ণ
| 11
Link Copied!
মোঃ বাবুল হোসেন, জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতাঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে উপজেলা ভূমি অফিসের তৎপরতায় ও প্রচেষ্টায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে । সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিগত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বেলায়েত হোসেন ও অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাশপিয়া তাসরিনের নের্তৃত্বে ভূমি মালিকদের উদ্বুদ্ধ করে উপজেলা ভূমি অফিস এবং মাঠ পর্যায়ের তহশিল অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। আদায়ের হার শতকরা ১০৬% । তবে এক্ষেত্রে ভূমি মালিকদের নিকট থেকে ভূমি উন্নয়ন কর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি
আদায় হলেও বিভিন্ন সরকারি সংস্হা থেকে পাওনা কর আশানুরূপ আদায় সম্ভব হয়নি ।পাঁচবিবি উপজেলায় ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় ৮ টি তহশিল অফিসের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় । এসব থেকে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ কোটি ১১ লাখ ১৫ হাজার ৬৪৬ টাকা । সেখানে আদায় হয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৩ টাকা । সরকারি সংস্হা থেকে পাওনা ১৫ লাখ ৭১ হাজার ৪৩০ টাকা হলেও আদায় হয়েছে ৯ লাখ ৫৬ হাজার ২১৬ টাকা । আদায়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে আটাপুর ইউনিয়ন অফিস। এ অফিসের আওতায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ লাখ ২৮ হাজার ১৬৬ টাকা । আদায় হয়েছে ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ৯০০ শ টাকা।তবে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের হার বেশি হলেও অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে অনেক । জমি খারিজ করা ও খাজনা দিতে গেলে অনেক ভোগান্তির স্বীকার হতে হয় বলে জানা গেছে । তবে একাধিক সহকারী ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা ( তহশিলদার ) বলেন, নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কোড ও ফোন নম্বর সঠিক না থাকা, ইন্টারনেট সমস্য কর পরিশোধে অনেকে বিড়ম্বনায় পড়েন । এছাড়া কিছু দালালও এক্ষেত্রে দায়ী ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, আপনারা জানেন সরকারের রাজস্ব আদায়ে মাঠ পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর হলো ভূমি অফিসসমূহ। প্রতিবছর সাধারণ ভূমি মালিক এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এই দুই ক্যাটাগরিতে সাধারণ ও সংস্থার দাবী নির্ধারণ করা হয়। টার্গেট অনুযায়ী আদায়ের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন, জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনসহ ভূমি মন্ত্রণালয় হতে মনিটরিং অব্যাহত থাকে। তবে, এক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জও রয়েছে, যা মূলত সংস্থা অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আদায়ে লক্ষ্য করা যায়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের জোরালো ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। সর্বোপরি সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিবছর সরকারের মূল রাজস্ব আয়ায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারা আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের!
আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বালাবামুনিয়া গ্রামের আঃ খালেক খন্দকার ইন্তেকাল করেছেন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST