PriyoKhobor-PNG
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৫৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

কমলনগরে ‘মরা গরু’ জবাইয়ের খবরটি ভুল, প্রতিবাদ জানালেন কসাই মামুন

দৈনিক গণআওয়াজ
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
| 18
Link Copied!
‎হাবিবুর রহমান, (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

‎লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ার হাট বাজারে গরু জবাই করে মাংস বিক্রির ঘটনায় ‘মরা গরু জবাই’ সংক্রান্ত একটি সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন কসাই মামুন।‎মামুনের দাবি, তিনি যে গরুটি কিনে জবাই করেছেন, সেটি মৃত ছিল না; বরং জীবিত অবস্থায় মালিকের বাড়ি থেকে কিনে স্থানীয় পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পর জবাই করা হয়েছে।‎গরুটির মালিক চরভূতি এলাকার সায়েদুল হকের ছেলে হারুনুর রশিদ বলেন, “আমার গরুটি মরা ছিল না। কয়েকদিন ধরে গরুটি খাবার কিছুটা কম খাচ্ছিল। পশু চিকিৎসক দেখানোর পর প্রায় তিন হাজার টাকার ওষুধ খাওয়ালে গরুটি সুস্থ হয়ে যাবে বলে জানতে পারি। কিন্তু আমি গরিব মানুষ। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা না থাকায় গরুটি বিক্রি করে দিয়েছি।
‎স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল বলেন, হারুনুর রশিদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি দুটি গরু পালন করতেন। এর মধ্যে একটি গরু কয়েকদিন ধরে খাবার কম খাচ্ছিল। পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসার জন্য কয়েক হাজার টাকা প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে হারুনুর রশিদ গরুটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন।‎নাজমুলের ভাষ্য অনুযায়ী, গরুটি বিক্রির জন্য কয়েকজন কসাইকে বাড়িতে নেওয়া হলে কসাই মামুন অন্যদের তুলনায় বেশি দাম দিয়ে গরুটি কিনে নেন। পরে তিনি গরুটি বাড়িতে জবাই করে ফজুমিয়ার হাট বাজারে নিজের মাংসের দোকানে নিয়ে আসেন।‎কসাই মামুন বলেন, “সেদিন বিকেলে হারুনুর রশিদ আমাকে ফোন করে জানান, তার একটি গরু খাবার কম খাচ্ছে এবং তিনি গরুটি বিক্রি করবেন। বিকেল ৫টার দিকে আমি তার বাড়িতে গিয়ে দেখি গরুটি জীবিত ও দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে আরও একজন কসাই গরুটি কেনার জন্য গিয়েছিলেন। আমি বেশি দাম দিয়ে গরুটি কিনে নিই।‎তিনি আরও বলেন, “গরুটি কেনার পর স্থানীয় একজন পশু চিকিৎসককে দেখাই এবং গরুটির মাংস খাওয়ার উপযোগী কি না জানতে চাই। চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, গরুটির তেমন কোনো সমস্যা নেই; পেটে কিছুটা গ্যাস জমার কারণে খাবার কম খাচ্ছে। এরপর আমি গরুটি জবাই করে ফজুমিয়ার হাট বাজারে আমার দোকানে নিয়ে আসি।‎মামুনের অভিযোগ, গরুটি দোকানে আনার পর স্থানীয় কিছু মানুষ ও ব্যবসায়ী সেটিকে মৃত গরু বলে দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে দেন। এতে তার ব্যবসা ও সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

‎মামুন বলেন, “আমি জীবিত গরু কিনে জবাই করেছি। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মরা গরু জবাইয়ের মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এতে আমি আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি এ সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।‎ফজুমিয়ার হাটের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মামুন এই এলাকার বাসিন্দা না হওয়ায় স্থানীয় কিছু মানুষের মধ্যে তার ব্যবসা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সেই বিরোধের জেরেই গরুটিকে ‘মরা’ বলে প্রচার করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ  ঘুষের ভিডিও ভাইরালের পর পঞ্চগড়ের পিআইও কে বদলি
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST