ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে জনবল সংকটসহ স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অডিট ইউনিটের উপসচিব মো. আবদুল খালেক।সম্প্রতি হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে তিনি চিকিৎসক ও জনবল সংকট, বিভিন্ন ওয়ার্ডের অব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত সমস্যা, স্যানিটারি ব্যবস্থা, পানি সরবরাহসহ স্বাস্থ্যসেবার নানা সমস্যা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে ভোলার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কার্যক্রম শুরু করেন উপসচিব মো. আবদুল খালেক। এ বিষয়ে তিনি গণপূর্ত সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিয়ে আসেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এরপর ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ স্টোর রুম স্থাপন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কার, ফুলের বাগান স্থাপন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ও বাসভবন, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং চরফ্যাশন ১০০ শয্যা হাসপাতালের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।গণপূর্ত বিভাগ, ভোলার নথি অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩টি উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের জন্য প্রায় ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তাবটি প্রশাসনিক অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।প্রস্তাবিত কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের বিভিন্ন ভবন ও ওয়ার্ডের মেরামত ও রংকরণ, টয়লেট সংস্কার, সেপটিক ট্যাংক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ রাস্তা সংস্কার, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোয়ার্টার সংস্কার, সিভিল সার্জন কার্যালয় ও বাসভবনের বিভিন্ন মেরামত এবং চরফ্যাশন ১০০ শয্যা হাসপাতালের সিভিল-স্যানিটারি সংস্কারসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক কাজ।নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত কয়েকটি কাজ গত তিন অর্থবছরে গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে এসব কাজ বাস্তবায়নে প্রশাসনিক অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত উন্নয়নকাজগুলো অনুমোদন ও দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে ভোলা ও চরফ্যাশনের সরকারি হাসপাতালগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা অনেকটাই কমবে এবং রোগীদের স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশও উন্নত হবে।
উল্লেখ্য, প্রায় ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা হলো প্রাক্কলিত ব্যয়; এটি এখনো চূড়ান্ত বরাদ্দ নয়।