সাতক্ষীরার তালায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে সৌদি আরব প্রবাসী সাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বাঁশদাড়ী গ্রামের শাহিনুর খানের ছেলে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে তালা উপজেলার প্রশাদপুর গ্রামের মৃত্যু ইমান আলী মোড়লের ছেলে মুসা মোড়ালের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে মুসা মোড়াল বলেন, আমি বিগত ২৭ বছর ধরে বিভিন্ন বৈধ এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে লোক পাঠায়। গত ৬ বছর পূর্বে পাইকগাছা উপজেলার বাদুড়িয়া গ্রামের আলমগীর মোড়লের স্ত্রী কে সৌদি আরবে পাঠাই। এর ৩ বছর পরে আলমগীর মোড়ল কে মালায় এশিয়ায় পাঠাই। এই আলমগীরের মাধ্যমে তার ভাইরাভাই ডুমুরিয়া উপজেলার বাঁশদাড়ী গ্রামের শাহিনুর খানের ছেলে সাজেদুলের সাথে পরিচয় হয়। তাকেও ৪ লক্ষ টাকা চুক্তিতে সৌদি আরব পাঠাই। এসময় তার টাকা কম থাকায় ১ মাসের মধ্যে পরিশোধ করার শর্তে ২ লক্ষ টাকা অফিসে বাকি রেখে সৌদি আরবে পাঠিয়ে দিই। সেখানে সে অনেক বেশি বেতনে ভালো কাজ পায়। কিন্তু বকেয়া টাকা পরিশোধ করে না। টাকা চাইলে সে বারবার ওয়াদা ও নানা রকম তাল বাহানা করে। প্রায় ২ বছর ধরে সে কোনো টাকা দেয়নি। আমি পাওনা টাকার চাপ দেয়ায় সে আমার বিরুদ্ধে ফেইসবুকে নানা রকম ভিডিও ছেড়ে মান সম্মান নষ্ট করছে।
পাইকগাছা উপজেলার বাদুড়িয়া গ্রামের আলমগীর মোড়ল বলেন, মুসা মোড়াল খুব ভালো লোক। সে বিদেশে পাঠানো নিয়ে প্রতারণা করে না। আমার মাধ্যমে সাজেদুলের সাথে পরিচয় হয়। সে আমার ও মুসা মোড়ালের জামিনে ২ লক্ষ টাকা অফিস বাকি রেখে সৌদি আরবে যায়। ১ মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও ১৯ মাস ধরে কোনো টাকা নেয়নি। আমি ফোনে টাকা চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও কথা রেকর্ড করে ফেইসবুকে ছেড়ে দেয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল করিম সহ অনেকেই বলেন, মুসা খুব ভালো মানুষ। বিদেশে পাঠানো কোনো লোক তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করতে পারে না। সে আমাদের উপজেলা সহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনেক লোক বিদেশে পাঠিয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেউ কোনো অভিযোগ করতে পারে না। অভিযুক্ত সাজেদুল ইসলামের সাথে মোমাইল হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করলেও বক্তব্য দিতে রাজি হইনি।