PriyoKhobor-PNG
মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:৩৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর

বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রা

দৈনিক গণআওয়াজ
জুন ৩, ২০২৬ ৯:২৭ অপরাহ্ণ
| 71
Link Copied!

এম,এ রাশেদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

‎বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে অবস্থিত হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার (রহ.)-এর মাজারের ১৫টি দানবাক্স (সিন্দুক) খুলে পাওয়া গেছে ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ টাকা। এর পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলংকার। বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মুদ্রা গণনা করতে লেগেছে প্রায় দুই দিন।

‎মঙ্গলবার ও বুধবার (২ ও ৩ জুন) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জালালের উপস্থিতিতে মাজার কমিটির সদস্যরা মহাস্থান মাজার ও বন্দর এলাকায় স্থাপিত ১৫টি দানবাক্স খুলে অর্থ গণনার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নেন।

‎মাজার কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার দীর্ঘ সময় পর দানবাক্সগুলো খোলা হলে সেগুলোতে বিপুল পরিমাণ টাকা, কয়েন, বিদেশি মুদ্রা এবং ভক্তদের দান করা স্বর্ণ-রৌপ্য অলংকার পাওয়া যায়।

‎দানবাক্স খোলার পর নগদ অর্থ বস্তাবন্দী করে মাজার কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে ব্যাংক কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় গণনার কাজ। দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, বিপুল পরিমাণ কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আলাদা করা, ছেঁড়া ও অচল নোট বাছাই করা এবং বিদেশি মুদ্রা শনাক্ত করার কারণে অর্থ গণনায় দীর্ঘ সময় লেগেছে।

‎স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নেওয়া মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষকদের উৎসাহে তারা এ কাজে অংশ নিয়েছে। মাজারের দান গণনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে সম্পৃক্ত হতে পেরে তারা আনন্দিত।

‎মাজার কমিটির কর্মকর্তারা জানান, গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত বৈশাখী ওরসকে কেন্দ্র করে এবার দানবাক্সে আগের তুলনায় বেশি অর্থ জমা হয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাও দান করেছেন।

‎মাজার কমিটির সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম বলেন, “হযরত শাহ সুলতান বলখী (রহ.)-এর মাজারে প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। তাদের দান করা অর্থ মাজারের উন্নয়ন, এতিমখানা পরিচালনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং স্থানীয় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।”

‎জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পুরো কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। গণনা শেষে প্রাপ্ত অর্থ মাজার কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মানবিক নেত্রী এমপি বীথিকা বিনতে হোসাইনের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী বেলালকে হুইলচেয়ার উপহার
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST