PriyoKhobor-PNG
সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৫০
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ট্যুরিজম
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাসের খবর
শিরোনাম :

পাওনা টাকার জন্য ইটভাটার মাঝি কে পায়ে শিকল পরিয়ে ১৫ দিন যাবৎ আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে

Editor-3
মে ১৩, ২০২৬ ১২:৩২ অপরাহ্ণ
| 95
Link Copied!

 

আহসান হাবীব স্টাফ রিপোর্টার,নোয়াখালী :

ঘটনা টি ঘটেছে, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের তাহের মার্কেট এলাকার সাইফুল কন্টেক্টারের ইটভাটায়।
অভিযোগ উঠেছে, সাইফুল কন্টেক্টারের ইটভাটায় শ্রমিক নিয়ে কাজ করতে যান কামাল মাঝি, সিজন শেষে টাকা পরিশোধ না হওয়ায় কামাল মাঝিকে ধরে নিয়ে পায়ে শিকল লাগিয়ে ১৫ দিন যাবৎ ইটভাটায় আটকে রেখে নির্যাতন করছে ইটভাটার মালিক সাইফুল কন্টেক্টার।
ভুক্তভোগী কামাল মাঝি নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মন্নান সারেং এর দোকান এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের হতাশা ও আতংকে দিন কাটছে,
ভুক্তভোগীর স্ত্রী জুলেখা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামী রামগতি তাহের মার্কেটের পাশে শ্রমিক নিয়ে মাঝি হিসেবে কমিশনে কাজ করার চুক্তি হয় ইটভাটার মালিক সাইফুল কন্টেক্টারের সাথে,
চুক্তি অনুযায়ী শ্রমিক কিনার জন্য অলিখিত চেকের পাতায় ও অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে সাইফুল কন্টেক্টার আমার স্বামীকে ১৬ লক্ষ টাকা প্রদান করে, সে অনুসারে সিজনের শুরুতে শ্রমিক নিয়ে আমার স্বামী সাইফুল কন্টেক্টারের ইটভাটায় কাজ করতে গিয়েছিলেন, কাজ করা অবস্থায় বিভিন্ন সময় বৃষ্টি হওয়ায় এবং তাঁর ইটভাটার কোন প্রকার সরকারি কাগজপত্র না থাকায় বার বার ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের কারণে কামাল মাঝি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মালিকের কিছু টাকা দেনা হয়ে যান, ঐ টাকার জন্য ইটভাটার মালিক সাইফুল কন্টেক্টার আমার স্বামীকে আটকে রেখে পায়ে শিকল লাগিয়ে নির্যাতন করতে থাকে, খবর পেয়ে আমি ইটভাটায় গেলে সাইফুল কন্টেক্টার বলেন, কামাল মাঝি আমার টাকা দেনা রয়েছে, আমার টাকার জন্য তাকে আটক করেছি, নগদ টাকা দিতে না পারলে কামাল মাঝির বাড়ির দলিল নিয়ে আসেন, পূনরায় বাড়ির দলিল নিয়ে গেলে সাইফুল কন্টেক্টার আমার থেকে উল্টো তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বাড়ির দলিল রেখে দিয়ে আমার সাথে দূর্ব্যাবহার করে আমাকে তাড়িয়ে দেয়, এসময় আমার স্বামীকে একনজর দেখারও সুযোগ দেয়নি সাইফুল কন্টেক্টার।
দীর্ঘ ১৫ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের পর চুক্তিপত্রের সময় নেওয়া অলিখিত চেকের পাতা ও অলিখিত স্ট্যাম্প দিয়ে মামলা করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করে, আমার স্বামী বর্তমাকে লক্ষ্মীপুর জেলহাযতে রয়েছে। আমি ৬ সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছি।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সাইফুল কন্টেক্টার কামাল মাঝিকে পাওনা টাকার জন্য আটকে রাখার কথা স্বীকার করলেও নির্যাতনের বিষয় অস্বীকার করেন।
আরও পড়ুনঃ  কক্সবাজারে বিজিবির পৃথক দুই অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • BD IT HOST

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Design & Developed by: BD IT HOST