
এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধান টার্গেট ছিল ড. ইউনূস। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর ড. ইউনূস প্রথম ভারতের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন। ক্ষমতায় এসে তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। বাংলাদেশকে ডিস্টার্ব করলে ভারতের সেভেন সিস্টার ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল ড. ইউনূস।
এ ছাড়া বাংলাদেশে সংস্কার আনা, মার্কিন চুক্তি ও দেশে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থাকুক- এটা ভারত চায় না। এসব কারণে ড. ইউনূস ভারতের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। আর ভারতের টার্গেট মানেই আওয়ামী লীগের টার্গেট। মূলত এদেশে ভারতের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করে আওয়ামী লীগ। এ অবস্থায় ড. ইউনূসকে নিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে আবার একজোট হওয়া উচিত।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাকে হেয়প্রতিপন্ন করলে ব্যক্তির চেয়ে দেশের সুনাম বেশি নষ্ট করা হবে। আমার নেতিবাচক কোনো সমালোচনাকে সমর্থন করি না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থাকবে, তবে যুক্তিতর্ক দিয়ে সমালোচনা করতে হবে। গায়ের জোরে লাগামহীন সমালোচনা করা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নয়।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক কৌশলে ফেরার চেষ্টা করবে; অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দুর্নীতিসহ নানা বিষয়ে তারা রাজনীতি করার চেষ্টা করবে; দেশে ঢোকার সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবে- এটাই স্বাভাবিক। তবে যাই করতে হবে, আইনি কাঠামোর মাধ্যমে। কোনো হঠকারিতা দেশের মানুষ আর মেনে নেবে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এস আর নিরব। Office: ২০৫/৪, খান প্লাজা, (লিফটে ৭ রুম নং -৯ সি) ফকিরাপুল, কালভার্ট রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০, Mobil: 01713-086019